চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নির্মাতার কথা মেনে নিজেই নিজের অংশটুকু শুট করেছি: মিথিলা

করোনাভাইরাসের এই করুণ সময়ে ঘরে বসে নিজের মোবাইল ক্যামেরা দিয়েই একটি শর্টফিল্মে অংশ নিয়েছেন অভিনেত্রী মিথিলা। একইভাবে তার সহঅভিনেতা বিক্রম অংশ নিয়েছেন কলকাতা থেকে। ১২ মিনিট ৫ সেকেন্ড ব্যাপ্তীর এই শর্টফিল্মটির নাম ‘দূরে থাকা কাছের মানুষ’।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ অভিনেতাদের সমন্বয়ে এই শর্টফিল্মটি পরিচালনা করেছেন শাহরিয়ার পলক।

বিজ্ঞাপন

গল্পে দেখা যায়, করোনার এই দুঃসময়ে নীরার খবর জানতে চৌদ্দ বছর পর ফোন করেন দীপ্ত। ‘কেমন আছো?’ বলতে গিয়ে তারা বলে ফেললেন অনেক কথা… তারপর?

বিজ্ঞাপন

তারপর দেখতে হবে ‘দূরে থাকা কাছের মানুষ’। এমনটাই জানালেন পরিচালন। শাহরিয়ার পলক বলেন, এই ছবির সঙ্গে যুক্ত সকলেই পারিশ্রমিক ছাড়াই সংযুক্ত হয়েছে এই সময়ের লড়াই-এ। এই শর্টফিল্ম থেকে সংগৃহীত পুরো তহবিল ঢাকা সিনেশ্রমিক এবং কলকাতা সিনেমা শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া হবে। এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।

ছবির প্রযোজনা করছে বাংলাদেশ থেকে প্রেক্ষাগৃহ এবং কলকাতা থেকে টিভিওয়ালা মিডিয়া। এর পাবলিসিটির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ থেকে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল কমিউনিকেশনস এবং কলকাতা থেকে সুদীপ’স।

নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে মিথিলা বললেন, প্রথমে মনে হচ্ছিল কাজটা বেশ কঠিন হবে কারণ হাতে ধরা মোবাইল ক্যামেরায় যে যার নিজের অংশটুকু শুট করেছি। তবে সেই জড়তাটা কাটতে সময় লাগেনি। কাজটা খুবই উপভোগ করেছি। আশা করি ছবিটা সবার ভালো লাগবে।

‘এটা একেবারেই অন্যরকম অভিজ্ঞতা’- জানালেন বিক্রম। তিনি বলেন, ছবির গল্পটা ভীষণ সেনিসিটিভ। বহু বছর পর দুজন মানুষ একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছ। একটা গভীর বন্ধুত্বের সুবাস ছড়িয়েছিল গোটা চিত্রনাট্য জুড়ে। আমি এবং আমার বন্ধু অভিনব মিলে শুটিংটা করেছি। ক্যামেরা, মেকাপ সব বিভাগের কাজ নিজেই সামলেছি। আমি কলকাতায় মিথিলা ঢাকায়। লকডাউনের সমস্ত নিয়ম কানুন বজায় রেখে বাড়িতে বসেই হয়েছে শুট।

তিনি আরো বলেন, নিঃসন্দেহে কঠিন একটা কাজ, তবে টিমের সবার সহযোগিতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। আশা করি যে উদ্দেশ্যে ছবিটা বানানো সেটি সফল হবে এবং ছবিটি সবার ভালো লাগবে। আমরা খুব কঠিন সময় পার করছি অর্থনৈতিক, মানসিকভাবে। এই সমস্যার সময় নতুন অনেক জিনিস শিখছি। আশা করি আগামী দিনে সেসব কাজে লাগবে।

করোনার প্রকোপে দীর্ঘায়িত হচ্ছে লকডাউন। সবাই গৃহবন্দী। যানবাহন, কলকারখানা সবই বন্ধ। ভারত ও বাংলাদেশে বন্ধ রয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পও। দুই বাংলায় অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। এসময় তাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করার জন্য একটা ছবি করার আইডিয়াটা খুব ভালো লেগেছে, সেকারণেই কাজটি করা বলে জানালেন মিথিলা।