ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা থেকে পাংকাল পিনাং যাওয়ার পথে দেশটির লায়ন এয়ারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ সমুদ্রে বিধ্বস্ত হয়েছে। বহু যাত্রী হতাহতের আশংকা করা হচ্ছে এ ঘটনায়।
দ্য সান জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ফ্লাইট জেটি-৬১০ স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পরই গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের সঙ্গে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সর্বশেষ যোগাযোগের সময় প্লেনটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল।
মাত্র এক ঘণ্টা যাত্রার পরই তার পাংকাল পিনাং পৌঁছানোর কথা ছিল।
উড়োজাহাজটিতে ১৮৮ জন আরোহী ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি। লায়ন এয়ারের কর্মকর্তারা জানান, এদের মধ্যে ১৭৮ জন পূর্ণবয়স্ক যাত্রী, এক নবজাতক, ২ শিশু, ২ জন পাইলট এবং ৫ জন কেবিন ক্রু ছিলেন।
কতজন নিহত হয়েছে বা আদৌ কেউ বেঁচে আছে কিনা – এ ব্যাপারে কিছু এখনো জানা যায়নি।
প্লেনটি ছিল বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ জাতীয়। এটি একেবারে নতুন মডেলের একটি উড়োজাহাজ।
উড়োজাহাজটিতে ঠিক কি ঘটেছিল এ সম্পর্কে এখনো জানতে পারেননি লায়ন এয়ারের কর্মকর্তারা। উড়োজাহাজটি উদ্ধারে ওই এলাকায় যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারী দল।
ইতোমধ্যে উড়োজাহাজের কিছু ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র পানিতে ভেসে উঠেছে বলে জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবেলা সংস্থার প্রধান সুতপো পুরয়ো নুগ্রহো। টুইটারে এমন কিছু জিনিসের ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি।
Jatuhnya pesawat Lion Air JT 610 di dekat fasilitas Anak usaha PT Pertamina (Persero), Pertamina Hulu Energi Offshore North West Java (PHE ONWJ) di lepas pantai di utara Bekasi, Jawa Barat. Petugas PHE ONWJ melakukan evakuasi dan mengambil dokumentasi. pic.twitter.com/Xq0kQjAWe8
— Sutopo Purwo Nugroho (@Sutopo_PN) October 29, 2018
এর আগে ২০১৩ সালে বালি উপকূলের কাছাকাছি সমুদ্রে বিধ্বস্ত হয়েছিল লায়ন এয়ারের আরেকটি উড়োজাহাজ। তবে সেবার আরোহীরা সবাই প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন।








