চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে না মানবাধিকার কমিশন

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেবে না সরকার। আইনমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষমতা দিলে প্রতিষ্ঠানটি একটি পক্ষ হয়ে যাবে। এতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা হারাবে কমিশন।

বৃহম্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য নিরোধ আইন প্রণয়ন’ বিষয়ে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিুসল হক।

তিনি বলেন, অাইন কমিশনের করা এ আইনের খসড়া প্রস্তাবনায় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তার দ্বিমত রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষের দিকেই আমরা এই আইনটি পাব। আমার মনে হয়, হিউম্যান রাইটস কমিশন শুড বি এন আরবিট্রার, নট এ পার্ট। যে মুহূর্তে তারা তদন্ত করার ক্ষমতা নিয়ে যাবে, তখনই আরবিট্রেরের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। কমিশন আমাদের প্রচলিত আইনে দ্বারা তদন্ত করবে।’

ওই খসড়ায় বলা হয়েছে, অনগ্রসর দলিত মানুষদের প্রতি বৈষম্যমূলক কাজ বা আচরণ প্রদর্শনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান থাকবে প্রস্তাবিত এই আইনে।

আইন কমিশনের সদস্য ড. শাহআলম বলেন, ‘আমরা মনে করি এটি শুধু বৈষম্যের ব্যাপার না। এটা আসলে একটা মানবাধিকারের সমস্যা। মানবাধিকার কমিশনের যেহেতু একটি অথরিটি ইমেজ সৃষ্টি হয়েছে, এজন্য আমরা বাই ল’ মানবাধিকার কমিশনকে সুনির্দিষ্ট করেছি। আইন অনুযায়ী তাদের একটি ভূমিকা থাকতে পারে।’

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন,  ‘আইনের মাধ্যমে একজন আরেকজনকে ভালবাসতে বাধ্য করা যায় না। কিন্তু একজন আরেকজনের প্রতি যে ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে সেই ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ বন্ধ করতে বা রুদ্ধ করতে আইন তার ভূমিকা পালন করে। সেজন্য এমন একটি বৈষম্যবিরোধী আইন দরকার।’

বৈষম্য নিরোধ আইন সংসদে পাস হলে দেশে একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন সভার আলোচকরা।

Bellow Post-Green View