চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ড. কামালকে দেয়া চিঠিতে যা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনকে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সকালে ওই চিঠি তার কাছে পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

ড. কামাল হোসেনকে দেয়া চিঠিতে শেখ হাসিনা লিখেছেন:

জনাব,

সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আপনার ২৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে পত্রের জন্য ধন্যবাদ। অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে সংবিধানসম্মত সকল বিষয়ে আলোচনার জন্য আমার দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত। তাই, আলোচনার জন্য আপনি যে সময় চেয়েছেন, সে পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ০১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখ সন্ধ্যা ০৭.০০ টায়, আপনাদের আমি গণভবনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে,

শেখ হাসিনা

Advertisement

চিঠিটি হস্তান্তর করে আবদুস সোবহান গোলাপ সাংবাদিকদের বলেন, “আপনারা জানেন, গত পরশু যুক্তফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি আমাদের আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর পৌঁছে দেয়া হয়েছিল। দলের পক্ষ থেকে সেটা আমি রিসিভ করেছিলাম। সেটা আপনার দেখেছেন। চিঠির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং আমার মাধ্যমে তার উত্তরে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।”আওয়ামী লীগ-যুক্তফ্রন্ট-চিঠি-সংলাপের আমন্ত্রণ-সংলাপ

“অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই গণতন্ত্র, সংবিধান সম্মতভাবে সকল বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুয়ার সকলের জন্য উন্মুক্ত,” বলেন গোলাপ।

“তাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনসহ যুক্তফ্রন্ট নেতাদের ১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি নিজ হাতে ড. কামাল হোসেন সাহেবের কাছে পৌঁছে দিয়েছি,” জানান তিনি।আওয়ামী লীগ-যুক্তফ্রন্ট-চিঠি-সংলাপের আমন্ত্রণ-সংলাপ

ড. কামাল হোসেন চিঠি গ্রহণের পর গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের ৭ দফার সঙ্গে বর্তমান ইস্যুগুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যে বিষয়গুলো দরকার সবকিছু নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

পাশাপাশি আমাদের কাছ থেকে যদি সরকারের কোনো সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হয় সেগুলো আমরা করব। আমাদের নেতা ড. কামাল হোসেন সাহেব এ ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলতে পারবেন। যেহেতু তিনি সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম, তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলবেন।”