চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শামশুল আলম ওরফে বার্মাইয়া শামশু (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শামসুলের সহযোগীরা আহত হয়েছেন।

এসময় মাদক ব্যবসায়ীর গুলিতে আহত হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য।

বিজ্ঞাপন

সোমবার ভোর রাতে শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের (কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক ) হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া বিজিবির চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, শামশুল আলম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত অভিযোগে টেকনাফ থানায় ১০টি মামলা রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রদীপ বলেন, রোববার বিকালে মাদক মামলার পলাতক আসামী শামশুল আলম ওরফে বার্মাইয়া শামশুকে হ্নীলা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছে বেশ কিছু ইয়াবা মজুদ থাকার তথ্য দেয়। পরে সোমবার ভোর রাতে পুলিশের একটি দল টেকনাফের বিজিবির দমদমিয়া চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় শামশুল আলমকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধারে অভিযানে যায়।

‘পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায় গুলি বিনিময় থেমে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে।

এসময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে পাওয়া যায় দেশে তৈরী ২টি বন্দুক, ১২ রাউন্ড গুলি ও ২০ হাজার ইয়াবা। এ ঘটনায় আহত হয় ৩ পুলিশ সদস্য।  তারা হলেন- এস আই রাসেল, এএসআই ফিরোজ ও এএসআই আমির।’

ওসি বলেন, গুলিবিদ্ধ শামশুলকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রদীপ বলেন, শামশুল আলম ওরফে বার্মাইয়া শামশু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভূক্ত একজন মাদক ব্যবসায়ী।  টেকনাফ থানায় তার নামে ১০টি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সে পলাতক ছিল।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি। আর আহত ৩ পুলিশ সদস্যকে টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।