চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

টানা জয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

খুলনাকে ২৫ রানে হারাল মিরাজের দল

বিজ্ঞাপন

আসরের শুরুতে বরিশালের কাছে লড়াই করে হার, পরের ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে বড় জয়ে কামব্যাক— এবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ধরাশায়ী খুলনা টাইগার্স। তিন ম্যাচের দুটিতে টানা জয় তুলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠেছে মিরাজের দল।

আসরে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিততে বেনি হাওয়েল ও নাঈমের শেষের ঝড়ে বড় সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। ১৯০ রান তাড়ায় ২৫ রান দূরে থামে মুশফিকুর রহিমের দল। ব্যাটারদের দিনে খুলনার বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেন চট্টগ্রামের দুই পেসার শরিফুল ও রেজাউর। মেহেদি মিরাজ নেন দুটি উইকেট।

pap-punno

মিরপুরে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে কেনার লুইস-উইল জ্যাক। দুজনে শুরু থেকেই চালান তাণ্ডব। প্রথম ওভারে শুভাগতকে ২৩ রানে ওড়ানোর পর ৩.৪ ওভারেই পেরিয়ে যায় দলীয় পঞ্চাশ (৫২) রান।

দুই ওপেনার ফিরলে কিছুটা ধীর হয় চট্টগ্রামের রান তোলার গতি। ১৫ রান করে আফিফ ফিরলে মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়েন সাব্বির। হার্ডহিটার এই ব্যাটার নিজেকে খুঁজে ফিরেছেন এ ম্যাচেও। একটি ছক্কায় ৩৩ বলে করেছেন ৩২ রান। অধিনায়ক মিরাজ ২৩ বলে চারটি চারের মারে করেন ৩০ রান।

শেষের দিকে ঝিমিয়ে আসা রানে জোর হাওয়া দেন হাওয়েল। আগের দুই ম্যাচের মতো এ দিনও ব্যাট হাতে স্লগ ওভারে ছড়ি ঘোরান ইংলিশম্যান। ৪ চার আর ১ ছক্কায় ২০ বলে খেলেন ৩৪ রানের ঝলমলে ইনিংস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ নাঈম ইসলাম। রান আউটের ফাঁদে পড়ার আগে ৫ বলের দুটিকে ছক্কা বানিয়ে খেলেন ১৫ রানের ক্যামিও। তাতেই চট্টগ্রামের সংগ্রহ দুইশ নাগালে যায়।

Bkash May Banner

ব্যাটারদের দিনে চট্টগ্রামের মিডল অর্ডারকে ভোগান মেহেদী হাসান। তরুণ অফস্পিনার কোনো উইকেট না পেলেও চার ওভারে খরচ করেন মাত্র ২৩ রান। ৩ ওভারে ৩৫ রান খরচায় দুটি উইকেট তুলে নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি।

বড় লক্ষ্যে দারুণ শুরুও পায় খুলনা। কিন্তু রান তোলার গতি ঠিক থাকলেও হারিয়ে বসে গুরুত্বপূর্ণ দুই ওপেনারকে। দলীয় ৪৫ রানে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা আন্দ্রে ফ্লেচার ফিরেন রিটায়ার্ট হার্ট হয়ে। ১২ বলে ১৬ রান করে রেজাউরের বাউন্সারে মাঠের বাইরে যান এই ক্যারিবিয়ান।

ফ্লেচার ফেরার পর নড়বড়ে হয়ে পরে খুলনার ইনিংস। টানা দ্বিতীয় জয় তুলতে মাঝের দিকে লড়াই করেন মেহেদি হাসান। তরুণ এই ব্যাটার ২৪ বলে ৩০ রানে ফিরেন। খোলাশাবৃত থাকেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। অনত্যম ভরসার এই ব্যাটার ১৫ বলে বিনা বাউন্ডারিতে করেন ১১ রান।

মুশফিক-মেহেদি ফিরলে যা একটু প্রতিরোধ করেন ইয়াসির আলী। ফ্লেচারের বদলি নামা সিকান্দার রাজা ১২ বলে ১ চার ২ ছক্কায় করেন ২২ রান। ইয়াসির ২৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস সাজান দুটি চার তিন ছক্কায়। তাদের লড়াই শেষ পর্যন্ত ব্যবধানই কমাতে পারে।

চট্টগ্রামের টানা দ্বিতীয় জয়ের বেনি হাওয়েল ৩৭ রানের বিনিময়ে নেন এক উইকেট। শিকার করেন প্রতিপক্ষে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। দুটি করে উইকেট নেন রেজাউর, শরিফুল ও মেহেদি হাসান।

বিজ্ঞাপন

Bellow Post-Green View
Bkash May offer