জমিরউদ্দিন সরকারকে ঘিরে নানা রহস্য ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে তার নাম ।
কয়েকটি সংবাদ মাধম্যে প্রকাশিত হয়েছে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার নিখোঁজ হয়েছেন। জানা যায় তাকে খুঁজতে মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডির বাসায় পুলিশ গিয়েছিল, তবে পুলিশ জানিয়েছে, কে বা কারা পুলিশের পরিচয়ে তার বাসায় গিয়েছে আমাদের জানা নেই।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে গুলশান পুলিশ প্লাজার সামনে থেকে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছেলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে শান্তিনগরের বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর বাসায় রাতে তল্লাশি চালানো হয়।
বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আদালতকে অবহিত করেন আইনজীবী আমিনুল ইসলাম।
বুধবার বিকাল থেকে জমির উদ্দিন সরকার নিখোঁজ ব্যাপারটি নিয়ে মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়, বেশকিছু অনলাইন গণমাধ্যমে নিখোঁজ শিরোনাম হয়ে খবরেও আসেন তিনি।
বুধবার বিকালে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের একান্ত সহকারী মো. আব্দুল লতিফ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, জমির উদ্দিন স্যার হাই কোর্টেই আছেন, একটু পর বাসায় যাবেন। উনি নিখোঁজ এ ব্যাপারে একটি গুজব উঠেছিল।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীর রাতে তার ধানমন্ডির বাসায় পুলিশ এসে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তিনি বাসায় আছেন কিনা? তবে স্যার দারোয়ানকে জানিয়ে দেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীরা আমাকে গ্রেপ্তার করতে আসলে যেন বুধবার সকাল আটটায় আসে। পরে আজ সকালে কেউ আর আসে নাই। যথারীতি স্যার আদালতে যান।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, পুলিশ পরিচয়ে কে বা কারা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের বাসায় গিয়েছিল সেটা আমার জানা নেই।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দুই দফা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী।








