চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জমাট গ্যাসের কারণেই মসজিদে বিস্ফোরণ: তদন্ত কমিটি

‘মসজিদ ভবনটি নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি’

বিপুল পরিমাণ গ্যাস জমে থাকার কারণেই নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এমনটাই জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন। একইসঙ্গে মসজিদ ভবনটি নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস

আজ বিকেলে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার কথা।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তাদের ১০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়। বিকেলে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে।

বিজ্ঞাপন

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, প্রতিবেদনে বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে মসজিদের গ্যাস জমাট থাকাকে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্যাসের আগুন থেকেই পরবর্তী সময়ে এসির বিস্ফোরণ হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মসজিদ ভবনটি নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

তিতাসের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাস লিকেজের বিষয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসী বা মসজিদ কমিটি অবগত বা অভিযোগ করেছে লিখিত কোনো দলিল পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে কমিটির কাছে বলেছে যে তিতাসকে মৌখিকভাবে গ্যাস লিকেজের বিষয়ে অবগত করা হয়েছিল।

নারায়ণগঞ্জের তল্লায় মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩৭ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৩১ জন এরইমধ্যে মারা গেছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন একজন। বাকি পাঁচজন চিকিৎসাধীন। তারাও আশঙ্কামুক্ত নন।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশত মানুষ দগ্ধ হয়।

এশার নামাজের সময় ঘটা ওই বিস্ফোরণে মসজিদের ভেতর আগুন জ্বলে উঠে এবং কাঁচ ভেঙে মুসল্লিরা আহত হয়। মসজিদের ভেতরের ৬টি এসি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ২৫টি সিলিং ফ্যানের পাখাও বাঁকা হয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে মসজিদের এসি থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হলেও পরে ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই মসজিদের নিচ দিয়ে যাওয়া গ্যাস পাইপ লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ ঘটে।