চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘চীন-রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের ভ্যাকসিন পেতে খোঁজ চলছে’

দ্রুত ভ্যাকসিন পেতে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের বাইরেও চীন-রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের ভ্যাকসিন পেতে সরকার নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছে।

সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ভ্যাকসিনের চালান নিয়ে যোগাযোগ চলছে। এছাড়াও দ্রুত ভ্যাকসিন পেতে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির অতিরিক্তি মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে সরকার ভ্যাকসিনের জন্য খোঁজ নিচ্ছে। বিশেষ করে চীন-রাশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। আশা করি খুব শিগগিরই আমরা পাব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স থেকে দেশের ২০ শতাংশ জনগণকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা রয়েছে, যেকোনো সময়ই সে ভ্যাকসিনগুলো আমরা পেয়ে যাব।

সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন পেতে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। একটি হলো ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি এবং অন্যটি এডিবির (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) সঙ্গে ৯৪০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি। যেগুলো দ্রুত ভ্যাকসিন পেতে আমাদের সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যদি ভ্যাকসিন তৈরি করতে চায়, তাহলে সরকার তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি কোম্পানির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। তারাও ভ্যাকসিন তৈরির ব্যাপারে দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে। আশাকরি ভ্যাকসিন নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।

এসময় আরও উপস্থিতি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা, নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের (এনসিডিসি) পরিচালক ও মিডিয়া সেলের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন, অধিদফতরের মুখপাত্র ও রোগতত্ত্ব বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম, অধিদপ্তরের পরিচালক (টিকাদান) ডা. শামসুল হক প্রমুখ।