চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে

চট্টগ্রামে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ৭৬ জনের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়ে। সংক্রমণের হার ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ দিন করোনায় ১ রোগীর মৃত্যু হয়। 

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাঠানো চট্টগ্রামের করোনা সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরীর ১০টি ল্যাবে গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের ১ হাজার ৭৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ৭৬ বাহকের মধ্যে শহরের ৫০ ও আট উপজেলার ২৬ জন।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে হাটহাজারীতে ৮, সীতাকুণ্ডে ৫, রাউজানে ৪, বোয়ালখালীতে ৩, ফটিকছড়ি ও পটিয়ায় ২ জন করে এবং লোহাগাড়া ও আনোয়ারায় ১ জন করে রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৮ জন। এতে শহরের ৭৩ হাজার ৪৫৭ ও গ্রামের ২৭ হাজার ৯৩১ জন।

করোনায় গতকাল গ্রাম এলাকার একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার ২৮৩ জন। এতে শহরের ৭০৮ ও গ্রামের ৫৭৫ জন। আরোগ্যলাভ করেছেন নতুন ৪৫ জন। মোট আরোগ্যলাভকারীর সংখ্যা বেড়ে ৮৬ হাজার ৩০২ জনে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১০ হাজার ৪৫০ জন এবং হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হন ৭৫ হাজার ৮৫২ জন। হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে গতকাল যুক্ত হন ৫৬ জন এবং ছাড়পত্র নেন ৪৭ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১ হাজার ৩৯৫ জন।

বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ৩০১টি নমুনা পরীক্ষায় শহরের ১টি, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৬০টি নমুনার মধ্যে শহরের ২টি, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৫৫ নমুনায় শহরের ২টি, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ২৬টি নমুনা পরীক্ষা করে শহরের ২টি এবং এপিক হেলথ কেয়ারে ৬২ নমুনায় গ্রামের একটিসহ ৫ টিতে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। নগরীর অপর বেসরকারি ক্লিনিক্যাল কেন্দ্র ল্যাব এইডে ৭টি এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে পাঠানো চট্টগ্রামের ১৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় সবগুলোরই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ, চমেকে ৫ দশমিক ৩৬, সিভাসু’তে ৭ দশমিক ৬৯, চবিতে ১৫ দশমিক ৬৮, আরটিআরএলে ৭ দশমিক ১৪, শেভরনে ০ দশমিক ৩৩, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৩ দশমিক ৩৩, মা ও শিশু হাসপাতালে ৩ দশমিক ৬৩, মেডিকেল সেন্টারে ৭ দশমিক ৬৯, এপিক হেলথ কেয়ারে ৮ দশমিক ০৬ এবং ল্যাব এইড ও কক্সবাজার মেডিকেলে ০ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়।

বিজ্ঞাপন