চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় নেপাল

ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পের ছোবলের পর নেপালে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ২১৮ জনে পৌঁছেছে। আজ সোমবার নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সার্মথ্য এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের সাহায্যে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে দক্ষিণ এশিয়ার ছোট দেশ নেপাল।

ভূমিকম্পের প্রভাবে তুষারধসে হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টে গতকাল পর্যন্ত ১৭ জন নিহত হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। সেইসাথে ভারত ও চীনে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৯০ জনে পৌঁছেছে।

শনিবার প্রথম দফা ভূমিকম্পের পর রোববার আরও কয়েক দফা ভূমিকম্প হয়। দ্বিতীয় দিনের ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে হাজার হাজার মানুষ খোল আকাশের নিচে বসবাস করছে।

Advertisement

ভূমিকম্পের পর বন্ধ করে দেয়া ত্রিভূবন বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের বিমান তাদের নাগরিকদের উদ্ধার করতে অপেক্ষা করছে। দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সেবা সংস্থা বিধ্বস্ত নেপালকে সাহায্য প্রদান করছে।

কাঠমাণ্ডুতে অনেক বিল্ডিং ধসে গেছে। যেগুলো আছে তাতে মানুষ আতঙ্কে ঢুকতে পারছে না। অনেক পুরনো বিল্ডিং এবং স্মৃতিস্তম্ভ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজধানীর অনেক সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে এবং যানবাহন চলাচল করছে। উদ্ধারকারীরা তাদের কার্যক্রম অব্যাতহ রেখেছে। আতঙ্কিত মানুষ খাবার ও আশ্রয়ের জন্য ছুটাছুটি করছেন।অল্প কিছু দোকানপাট খুললেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং টেলিফোন লাইনও ঠিক মতো কাজ করছে না।

শনিবার সকাল থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত কমপক্ষে ১৪ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে তীব্র ছিলো দুপুরের দিকে ৭.৯ মাত্রায়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ প্রতিষ্ঠানের (ইউএসজিএস) তথ্যমতে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নেপালের পোখারা থেকে ৮০ কিলোমিটার। ওই ঘটনার পর দেশটিতে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে।