চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘কুসুমনগর’ এবং নরেন্দ্র মোদির থালা বাজানো

অভিজিৎ তরফদারের ‘কুসুমনগর’ পড়া শেষ হলো। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে একটি দৈনিকে। উপন্যাসের শেষ লাইনের মতোই যেন একটা সদ্য ফোটা ফুল আমরা প্রায় এক বছর ধরে পেলাম। সময়ের যে চালচিত্র লেখক উপস্থাপিত করেছেন, এই বাংলাকে, আমরা অনেকেই জানি। চিনিও। কিন্তু রাজনীতির ফাঁদে, সেই চেনাকে চিনতে চাই না। জানা যে অজানাই বলে যেতে পছন্দ করি। কারণ, আমাদের মনের আয়নাটাকে আমরা মতের প্রতিবিম্বে এখন আর আবদ্ধ রাখি না। আটকে রাখি দলের প্রতিবিম্বে। গোষ্ঠীর মুখচ্ছবিতে।অভিজিৎ তরফদার

বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সুলুক সন্ধানে ‘কুসুমনগর’ নিছক একটি আখ্যান নয়, একটা সামাজিক দলিল।বিজ্ঞানের কথা বলে, বিজ্ঞানকে ঘোল খাইয়ে কিভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পঞ্চত্ব ঘটিয়ে, ধীরে ধীরে এই ক্ষেত্রটিকে বাজার নির্ভর করে তুলতে আমাদের শাসকেরাই নানা সময়ে, নানাভাবে সাহায্য করেছেন, এই কাহিনীটি তার একটি খণ্ড, অথচ প্রামাণ্য সামাজিক দলিল।

বিজ্ঞাপন

বিভূতিভূষণ, তারাশঙ্করের গ্রামের দ্বান্দ্বিকতা যেন সমরেশ বসুর তীক্ষ্ণ, সংগ্রামীচেতনা ঋদ্ধ একটি চোখের সমসাময়িক, তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক ঘটনাক্রমের আবর্তনে সমাজচিত্রের বিবর্তন রেখা অভিজিৎ তরফদারের তুলিতে ভ্যান গঘের চিত্রমালার মতো এখানে অঙ্কিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ কেন কোভিড-১৯ এর অতিমারী রুখতে প্রধানমন্ত্রী থালা বাজানোর স্পর্ধা দেখাতে পারছেন, সেই অতীতের ধারাবাহিকতার ময়নাতদন্ত, যা আজকের এই পরিস্থিতির জন্ম দেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছে, এমনটা বলা বা লেখা, সরাসরি চিকিৎসা পেশায় থেকে, বাংলা সাহিত্যে অভিজিৎ তরফদারের আগে কেউ দেখাতে পারেননি। ‘মহাজাগতিকে’র যে জাগরণ নিয়ে তার কথাসাহিত্যের দুনিয়াতে নিজের স্থায়ী আসনটিকে প্রতিষ্ঠিত করবার কালপর্বের উন্নত মেরুদণ্ড, শাসনযন্ত্রকে, অর্থাকর্ষণের অভিষ্পাকে তুড়ি মেড়ে, এগিয়ে যাওয়ার এই যে প্রবণতা, ‘কুসুমনগরে’র এই বাস্তবতা নির্মাণ, যেখানে তারাশঙ্করের ‘আরোগ্য নিকেতনে’র ‘জীবন মশাই’ বা বনফুলের ‘অগ্নিশ্বরে’ র মতো নাটকীয় পরাবাস্তবতা নেই, সেখানেই ‘শিখরে’র সার্থকতা। তাই ‘শিখর’যে ‘অপরাজিতা’, সে নিজে প্রাতিষ্ঠানিকতায় বিশ্বাসী না হয়েও তার হাতের মুঠোতে ধরা ‘অপরাজিতা’র উত্তাপে স্নিগ্ধ, এটাই আমাদের শত যন্ত্রণাতেও বাঁচার তাগিদ। ‘শিখর’রা আছেন বলেই, এখনো ফুল ফোটে। পাখি শীষ দেয়। শীতের দিনেও প্রকৃতি উত্তাপ দেয়।

গণতন্ত্রের বিকেন্দ্রিকরণের উত্তাপে গরীবের পেটের ভাত কি ঠিক মতো সেদ্ধ হয়? ভাতের সঙ্গে কি আলুটা, পটলটা, ঝিঙে-বেগুন-কুমড়োটা সেদ্ধ করে নেওয়ার সুযোগ মানুষ পায়? ক্ষমতা কি সত্যিই চুইয়ে পড়ে ডগা থেকে আগার পানে? ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণ, অর্থনীতির বিকেন্দ্রিকরণ, এইসব গালভরা শব্দের সঙ্গেই লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রামীণ সমাজবিবর্তনের ধারাপ্রকৃতির চিত্রমালা। সেই দর্পণের শরৎশশীই আমাদের বুঝিয়ে দেয় সামন্তপ্রভুদের কড়াল গ্রাসের বাঁধন এত্তোটুকু আলগা হয়েছে, কি হয়নি। সময়বদলের সুযোগে সেইসব সামন্তপ্রভুরা, জমিদার, জোতদারেরা- রাজনীতির ভোলবদলে, নয়াজামানার সঙ্গে মিতালি পাতিয়ে কেমন করে উন্নয়নে শামিল হয়, আলঙ্কারিক বদলের তথা উন্নয়নের আজকের আঙ্গিক আর সেদিনের আঙ্গিকের ভিতর মৌলিক সাদৃশ্য আর বেসাদৃশ্যগুলির স্বরূপটাই বা কেমন ফুটে ওঠে শরৎশশীর মতোই ‘কুসুমনগরে’ র দর্পণ আমাদের তা জানান দিতে থাকে।

বিজ্ঞাপন

‘কুসুমনগরে’ র মুখ্যচরিত্র ‘শিখর’ যে সময়কালে আদর্শের তাগিদে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগ দেন, সেই সময়কালটাতেই রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলেও, সামাজিক পরিমণ্ডলে কিন্তু অতীতের রাজনৈতিক বোধের মানুষগুলোই বেশির ভাগেরাই থেকে গেছেন। তবে এই থেকে যাওয়ার ভিতরে একটা মৌলিক অদলবদল আছে। অতীতে যে রাজনৈতিক দলের হয়ে তারা গ্রাম শাসন করেছিলেন, জামানা বদলে এখন সেই দলের হয়ে না করলেও, সেই দলের রাজনৈতিক বোধকে তারা কিন্তু প্রায় ছাড়তেই পারেনি। তাই ‘শ্রেণী অবস্থানে’র প্রশ্নে , নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার সাথে তাদের মৌলিক ফারাক হচ্ছে, কি না, পার্থক্য দেখা দিচ্ছে কি না- এই কালক্ষেপের কালপর্ব ‘কুসুমনগরে’ পরিস্ফুট না হলেও, আমরা বুঝতে পারি, পুরনো কাঠামোকে, নতুন লেবাসে পরিপূর্ণ করে, একটা অন্যরকম রঙচঙে মেখদারে হাজির করতে, অতীতের ধারাবাহিকতার অয়নাংশুমাত্রাকে বজায় রাখতে যে চেষ্টা ‘শিখর’ তার পেশা জীবনের প্রথমপর্যায়ে দেখেছিলেন, সেই চেষ্টারই জাবরকাটার ভিতর দিয়ে আজ গোটা গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অন্তজ্বলি যাত্রা, আর শহরে রাঘববোয়ারের মতো বহুজাগতিক স্বাস্থ্যহাঙরদের লোলুপ জিহ্বার রহস্য লুকিয়ে আছে।

অভিজিৎ তরফদার যে সময়ের সমাজবীক্ষণ নির্মাণ করেছেন তার ‘কুসুমনগর’ নামক গ্রামবাংলার একখণ্ড প্রোজ্জ্বল ইতিকথার ভিতরে, সেই সময়ের চিকিৎসা ব্যবস্থার যেটুকু ইতিবাচক দিক আছে, যাকে আপ্রাণ চেষ্টায় টেনে তোলবার চেষ্টা করছেন ‘শিখরে’ র মতো মানুষেরা, তার উদাহরণ দিয়ে, অতীতের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে অনেকে বলতেই পারেন, আগে কি ছিল? আগের কিছু না থাকা থেকে তো একটা ইতিবাচক উত্তরণের পথে এগিয়ে দেওয়া সম্ভবপর হয়েছিল, তা হলে কেন এতো সমালোচনা?

অতীতে কায়েমী স্বার্থ গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার সবটুকু গ্রাস করে রেখেছিল। সেই সমাজব্যবস্থাকে উপড়ে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই লড়াই হয়েছিল। সেই লক্ষ্যেই পঞ্চায়েত আইন করেও সেই আইন কে যে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের প্রশাসন লাগু করেনি, বামফ্রন্ট এসে সেই আইনকে লাগু করলেন। প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেসী জামানার বাস্তুঘুঘুরা ধারে কাছে ঘেঁসবার সাহস করল না। কিন্তু তারপর? তারপর থেকে কি হলো? পঞ্চায়েতের সেই ক্রম অধোগমনের চিত্র সাধন চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন তার ‘সঙ্গ নিঃসঙ্গ’ নামক এক কালজয়ী উপন্যাসে। সেই কালপর্বে রাজনৈতিক শিক্ষা না নেওয়ার মাশুল, কি বিপদ ডেকে আনতে চলেছে, তার ইঙ্গিত দিচ্ছেন অভিজিৎ তরফদার তার ‘কুসুমনগরে’। সাধন চট্টোপাধ্যায়ের সেই সতর্কবাণীর অভিমুখ আমরা দেখেছিলাম বিগত ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে। সংসদে গীতা মুখোপাধ্যায় যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের আদলে আমাদের পঞ্চায়েতে মেয়েদের জন্য আসন সংরক্ষিত হচ্ছে। পৌরসভাতে আসন সংরক্ষিত হচ্ছে। সভাধিপতি হচ্ছেন মহিলা। পৌরপ্রধান হচ্ছেন মহিলা। অথচ দলের যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, দলের রাজ্য বা জেলা সম্পাদকমন্ডলী, সেখানে মহিলা প্রায় নেইই। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ বা পৌরসভা সংক্রান্ত আলোচনা এজেন্ডাতে থাকলে, সেই জেলাপরিষদের মহিলা সভাধিপতি বা পৌরপ্রধান কে ডেকে এনে একটু আধটু আলোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, পুরুষতান্ত্রিকতাকেই মহিলার প্রতি সমান নয়, বিশেষ অধিকারের একটা লেবাস দিয়ে মানুষের সামনে উপস্থাপিত করা।

ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণের নামে এই যে ভাবের ঘরে চুরি, সেই চুরির ফলেই ক্রমে ক্রমে পঞ্চায়েতের মূল ক্ষমতা এমন মানুষদের হাতে চলে গিয়েছিল, যাদের কায়েমীস্বার্থের উচ্ছেদ চেয়েই একদা লড়াই করে বামপন্থীরা মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, ক্ষমতা আবর্তিত হতে শুরু করছিল, আবার সেই মানুষদেরই ঘিরে। কেবলমাত্র সেই মানুষদের রাজনৈতিক পোশাকের রঙ বদলেছিল। বদল হয়নি রাজনৈতিক চেতনার। এতোটুকু পরিবর্তন হয়নি শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গির। কারণ, রাজনীতির মাথাদের কাঙ্খিত বিষয় ছিল, সংখ্যাবৃদ্ধি। মান বৃদ্ধির দিকে তারা দৃষ্টি প্রায় দেন-ই নি বলা যেতে পারে। ফলে প্রথম পঞ্চায়েত ভোটের সময়কালে অতীতের যে শাসকেরা কিছুটা ঘাপটি মেরে অবস্থার পর্যবেক্ষণে রত ছিলেন, পরের পঞ্চায়েত ভোটেই দেখা গেল যে, সেইসব মানুষেরা পোশাক বদলে নতুন শাসকের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে শুরু করেছেন। আর নতুন শাসকদের একটা বড় অংশ, এই আগের শাসকদের পোশাকবদলের বিষয়টাকে বেশ ভালোভাবেই নিতে শুরু করলেন। দলীয় ক্ষমতার বৃত্তে প্রথমেই যে এই অতীতের শাসকেরা খুব ক্ষমতাশালী হয়ে উঠলেন, তা কিন্তু নয়। তবে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের এরা ক্রমেই খুব প্রিয়জন বলে পরিগণিত হতে শুরু করলেন। শহরের পৌরসভা বা গ্রামের পঞ্চায়েতে শাসকবর্গের সঙ্গে এই অংশের মানুষের একটা দারুণ দোস্তির সম্পর্ক তৈরি হলো। ফলে মানুষের উন্নয়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে, এমন কর্মকাণ্ডে অতীতের শাসকদের আমলে যারা বিশেষ ক্ষমতাশালী ছিল, ‘৭৭ সালে, ক্ষমতাবদলের অল্প কিছুদিন পরেই, তারা নতুন শাসকদের সঙ্গে মিশে গিয়ে, ধীরে ধীরে আবার ক্ষমতাশালী হয়ে উঠতে শুরু করলো। দলকে বিস্তার করবার সংকল্পে, দলের ভিত্তিকে ভূমিস্তরে প্রবাহিত করবার লক্ষ্যে, নতুন শাসকদের নেতৃবৃন্দের কাছে, শ্রেণীচিন্তাটিই একমাত্র লক্ষ্যবস্তু বলে আর বিবেচিত হলো না। অতীতে গ্রামের যে জোতদারটি, জোতদারি ব্যবস্থা, সামন্ততান্ত্রিক পরিকাঠামো ভাঙার লক্ষ্যে পরিচালিত বামপন্থী আন্দোলনকে প্রতিহত করতে সবথেকে বড় কায়েমি শক্তি হিসেবে বিবেচিত হতো, সেই ব্যক্তিটিই যখন বুঝে গেল, সহজে বামপন্থীদের ক্ষমতাচ্যুত করতে পারা যাবে না, তখন ভেক ধরে সেও হয়ে গেল বামপন্থী। কেবল বামপন্থীই নয়, আগমার্কা বামপন্থী। ক্রমশ চাঁদির জোরে, অতীতের পোড় খাওয়া বামপন্থীদের তুলনায়, বামপন্থী মহলে কলকেটা সে একটু বেশিই আদায় করে নিতে পারল।

এই সামাজিক প্রেক্ষিতের পটভৃমি থেকে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও কিছু আলাদা ছিল না। কি করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আজকের ক্রমবিবর্তন ঘটেছে, যার জেরে দিল্লির শাসক কোভিড-১৯ কে ঠেকাতে থালা-বাসন বাজানোর কথা বলতে পারেন আর রাজ্যের শাসক ডিম, আলুসেদ্ধ ভাত খেয়ে রোগ প্রতিরোধের কথা বলে, নিজের দায়িত্ব সারতে পারেন, তার যেন একটা সুলুকসন্ধান অভিজিৎ তরফদার তার এই ‘কুসুমনগরে’ দিচ্ছেন। প্রশাসনের অভ্যন্তরে শাসকপরিবৃত থেকে সাধারণ মানুষকে নাগরিক পরিসেবার জগত থেকে দূরে রাখার এই মানসিকতা, শাসক কখনোই বুঝতে চায় না। নিজের শিবির ভুক্ত হলেই, সেই ব্যক্তি, সমস্ত কিছু আইনের উর্দ্ধে, শাসকের এই যে প্রবণতা, সেটি যে শাসককে কতোখানি সর্বনাশের পথে ঠেলে নিয়ে যায়, সেটা বোঝার মতো ধী শক্তি, ক্ষমতার মদমত্ততায় শাসক যে ভুলে যায়, তার একটা অন্তর্ভেদী দৃষ্টি গোটা উপন্যাসটিতে অভিজিৎ বাবু ব্যবহার করেছেন। ফলে এই আখ্যানটি কেবল একটি উপন্যাস নয়, বাংলার সামাজিক জীবনচিত্রের ক্রমবিবর্তনের একটি অন্তদৃষ্টিমূলক সামাজিক উপাদান বলেই এটি বিবেচনার দাবি রাখে। মানুষের অসহায়তা ঘিরে একাংশ মানুষের আবিমৃষ্যকারিতা আর সেই মানুষেরই জৈবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, ভিন্ন চরিত্রের মানুষ ‘শিখর’, মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা, আমাদের এখনো মনে করিয়ে দেয় রবীন্দ্রনাথের সেই অমোঘবাণী; ওরে বিহঙ্গ, তবু বিহঙ্গ মোর, এখনি অন্ধ, বন্ধ করো না পাখা। জেগে থাকুন ‘শিখরে’ রা। আরো কয়েক সন্ধ্যে গৃহস্থের আঙিনাকে তারা আলোকিত করুন। সেই আলোর উত্তাপের আমরা চরম প্রত্যাশী।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)