চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কিছু ‘কৌশলী’ পরিবর্তনেই বাজিমাত চট্টগ্রাম আবাহনীর

চট্টগ্রাম থেকে: প্রথমার্ধে দল পিছিয়ে ২-১ গোলের ব্যবধানে। বাধ্য হয়ে খানিকটা পরিবর্তন আনলেন মারুফুল হক। তাতেই ঘুরে গেল ম্যাচের মোড়। পিছিয়ে থাকা ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল স্বাগতিক চট্টগ্রাম আবাহনী।

শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ টুর্নামেন্টে লাওসের ইয়ং এলিফ্যান্টসের বিপক্ষে বুধবার ৪-২ গোলের জয়ে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে টুর্নামেন্টের স্বাগতিকরা। এই দলটাই প্রথমার্ধে ইকবল জনের হাস্যকর ভুলে পিছিয়ে পড়ে মাঠ ছেড়েছিল বিরতি নিতে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে কিছু পরিবর্তন আনেন চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ মারুফুল হক। তাতে মিলে যায় ফল। মারুফুলের চোখে সেসব ‘কৌশলী’ পরিবর্তন। কী পরিবর্তন করেছিলেন স্বাগতিক কোচ?

বিজ্ঞাপন

‘আসলে জামাল ও দিদিয়ের চার্লস একই পজিশনের খেলোয়াড়। দুজন যখন উপরে উঠে আসছিল তখন নিচে আমার একজন খেলোয়াড় কমে যাচ্ছিল। সেক্ষেত্রে আমার একজন টিপিক্যাল মিডফিল্ডারকে প্রয়োজন হয়ে পড়ল। মানিক হোসেন মোল্লাহকে নামাই। জামাল-দিদিয়ের দুজনেই উপরে উঠে যায়। ওরা দুজনেই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।’

প্রথমার্ধে উজবেক ডিফেন্ডার ইকবল জনের হাস্যকর ভুলের সুযোগ নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল ইয়ং এলিফ্যান্টস। ম্যাচ শেষে শিষ্যকে আগলেই রাখলেন মারুফুল, ‘ইকবল যে ভুলটা করেছে সে আসলে সেই মানের খেলোয়াড় না। ও আসলে অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল। আশা করি পরে এই ভুলগুলো করবে না।’

এলিফ্যান্টসের ম্যাচসহ টানা দুই ম্যাচে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার হয়েছেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। নিজে করেছেন এক গোল, করিয়েছেন আরেকটি। গোল করা বা না-করা নিয়ে মোটেও চিন্তায় নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন তিনি।

দিনশেষে দল জেতাতেই খুশি জামাল, ‘আমি এগুলো নিয়ে মাথা ঘামাই না। দল জিতলেই আমি খুশি। কোচ আমাদের কিছু পরিবর্তন করিয়েছিলেন। কাজ হয়েছে। দল জিতেছে।’

Bellow Post-Green View