চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘করোনায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান হ্রাস পেলেও বেড়েছে রেমিট্যান্স’

করোনা মহামারীর কারণে গতবছরের চেয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যাপক হ্রাস পেলেও রেমিট্যান্স ৯.৬ শতাংশ বেশি হয়েছে।  বৈদেশিক কর্মসংস্থানে সাড়ে সাত লাখ লক্ষ্য থাকলেও করোনার কারণে এ বছর মাত্র ১ লাখ ৮১ হাজার ২৭৩ জনকে পাঠানো হয়।  গতবছর যেখানে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য ৭ লাখ ১ হাজার ৫৯ জন কর্মীকে পাঠানো হয়েছিল।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিপরষদ সচিব জানান, করোনার কারণে ১ লাখ ৪১ হাজার ৩৬ জন কর্মী ফিরে এসেছেন। সবাইকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সরকার কাজ করছে। বিদেশে অবস্থানরত সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দূতাবাসের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিদেশে কর্মসংস্থান তৈরিতে আরও কি কি সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, এবং যারা দেশে আটকে পড়ে আছে তাদের কিভাবে ফেরত পাঠানো যেতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

যারা এখনও সৌদি আরব যেতে পারেন নি, তাদের আকামার মেয়াদ বাড়ানো হবে মর্মে সৌদি কর্তৃপক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছে। ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি বেকার যুবকদের সক্ষমতা বাড়াতে দৈনিক ভাতা দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০২০-২১ সালে ২৭ টি জেলায় ৮টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ আইন ২০২০ খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে।  চলমান নীতিমালা দিয়ে আর সম্ভব হচ্ছে না বলে এ আইন আনা। স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে আইন এসেছে।  নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি দশ জন শিক্ষার্থী জন্য ১ জন শিক্ষক। ৭৫ শতাংশ শিক্ষক স্থায়ী হতে হবে। মেডিকেল কলেজ চালু করার জন্য কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী লাগবে। মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজের অনুমোদনের জন্য তহবিল থাকতে হবে তিন কোটি ও দুই কোটি। মেডিকেল বর্জ্য অপসারণে ব্যবস্থা থাকতে হবে। কমপক্ষে তিন একর ঝামেলা হীন জমি থাকতে হবে।  তবে মেট্রোপলিটন হলে ২ একর। প্রতিষ্ঠানে মোট আসনের ১০ শতাংশ আসন গরীব মানুষদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে, বিনামূল্যে সেবা দিতে হবে। মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্যা এবং ডেন্টালে ৫০ শয্যা থাকতে হবে। আইন অমান্য করলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থ দণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং অনুমোদন বাতিল হবে।
প্রতিটি বিভাগের মেডিকেল কলেজগুলো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত হবে। যদি না থাকে তাহলে তাদের বলা হবে কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা তারা পরিচালিত হবে।