চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সকলেই ষাটোর্ধ্ব

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানো ৭ জনই ষাটোর্ধ্ব বয়সী।  মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স ৯০ বয়সের বেশি। করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ২০৬ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন হেলথ বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা জানান, মৃত ৭ জনের মধ্যে একজনের বয়স ৯০ বছরের বেশি। এছাড়া ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের দুজন ও ৫১ থেকে ৬০ বছরের দুজন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ১০৩ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এক হাজার ৮৭৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪০ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ৯৯০ জন।

বিজ্ঞাপন

করোনা চিকিৎসার জন্য সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে আট হাজার ৫৯৪টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে দুই হাজার ৯০০টি এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঁচ হাজার ৬৯৪টি। এসব হাসপাতালে আইসিইউর সংখ্যা ৩২৯টি, ডায়ালাইসিস ইউনিট ১০২টি।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের নানা ধরনের রোগব্যাধি থাকলে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যুঝুঁকি বেশি থাকে।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৩৯ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন দুই লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন তেরো লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। পরে পঞ্চমবারের মতো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।