চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: সৌদি থেকে ফিরছেন ৩৬৬ বাংলাদেশি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আটকে পড়া ১৩২ জন বাংলাদেশি ওমরাহ হজ যাত্রী এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে ডিটেনশনে থাকার ২৩৪ জন অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশিকে দেশের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে।

এই বাংলাদেশিদের নিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট জেদ্দাস্থ কিং আব্দুলাজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ছেড়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

এরমধ্যে অবৈধ হয়ে যাওয়া ৩২ জন মহিলা কর্মী রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

জেদ্দা এয়ারপোর্ট এসব যাত্রীদের মেডিকেল চেকআপ এবং ইমিগ্রেশনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করে সকাল সাতটার দিকে বিমানটি ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও  বিভিন্ন কারাগার ও সোমায়সিতে ডিটেনশনে থাকা অবৈধ হয়ে যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ নানা প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করতে না পারার কারণে ফ্লাইটটি ছেড়ে যেতে কিছুটা দেরী হবে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

একদিকে লকডাউন অন্যদিকে ২৪ ঘণ্টা অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ বলবৎ এবং স্থানীয় সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকায় অবৈধ ৩৬৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে একত্র করে এবং তাদেরকে স্থানীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সব শেষে সিভিল এভিয়েশনকে সমন্বয় করে তার সাথে রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস, জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট এবং বাংলাদেশ হজ মিশন এর কর্মকর্তাদের দিনরাত পরিশ্রম করে এসব কর্মীদের পাঠাতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নিযুক্ত ডেপুটি হজ ও ওমরাহ ডেপুটি মন্ত্রী আব্দুল আজিজ আল ওয়াজান গতকাল আটকে পড়া ১৩২ জন ওমরা হজ যাত্রী পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। অন্য সব মন্ত্রণালয় এবং দূতাবাস দ্রুত এসব বাংলাদেশিদেরকে পাঠানোর বিষয়টা নিশ্চিতভাবেই কর্মপরিকল্পনা এগিয়ে নিতে কাজ শুরু করেন তারই ধারাবাহিকতায় আজ স্থানীয় সময় ভোর ৪টায় ওমরাহ হজ যাত্রীদেরকে প্রথমে এয়ারপোর্টে নিয়ে আসা হয় এরপর মহিলা কর্মীদের সকাল ৭টার সময় এয়ারপোর্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এর আগে জানানো হয়েছিল বাংলাদেশ সময় ৪.৩০ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি এয়ারলাইন্সের বিমানটি যাত্রীদেরকে নিয়ে পৌঁছাবে। কিন্তু পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে অবতরণ না করলেও সৌদি বিমানটি পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র আরও বলছে, বাংলাদেশে পৌছার পরপরই বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসন করোনাভাইরাস সংক্রমণ এর বিস্তার রোধে এসব যাত্রীদেরকে ১৪ দিন কোয়ারান্টিনে রাখার ব্যবস্থা করবে।