চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এই স্বীকৃতি আমার জন্যে অত্যন্ত আনন্দের, ভীষণ গৌরবের

‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২১’ প্রাপ্তির পর ‘অন্যদিন’ এর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম

চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ, প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক, প্রথম শিশু চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক হলেন ফজলুল হক। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে (২৬ অক্টোবর) প্রতিবছর দেওয়া হয় ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’।

এবার এটি পেলেন কিংবদন্তী নির্মাতা কাজী হায়াৎ ও মাজহারুল ইসলাম। তারা যথাক্রমে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সাংবাদিকতার জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। মঙ্গলবার চ্যানেল আইয়ের  স্টুডিওতে সীমিত পরিসরের এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ফজলুল হকের নামাঙ্কিত পুরস্কারটিকে অন্যতম পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন মাজহারুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন সেই অনুভূতি। যা চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

যে-কোনো কাজই করি প্রাণের প্রেরণায়, অন্তর্গত তাগিদে। প্রাপ্তির প্রত্যাশা তেমন থাকে না। তবুও যখন কাজের জন্য প্রশংসা পাই, প্রীত হই। প্রণোদনা তৈরি হয় নিজের ভেতরে আরও ভালো কিছু করার। প্রশংসা বা পুরস্কার তো আসলে একধরনের স্বীকৃতি।
২০০৪ সাল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রদান করা হচ্ছে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’। চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য এ পুরস্কার। এবছর সাংবাদিকতায় আমাকে মনোনীত করা হয় ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’-এর জন্য। আজ চ্যানেল আই স্টুডিওতে সীমিত পরিসরের এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। চলচ্চিত্র নির্মাণে এ বছর পুরস্কৃত হয়েছেন নির্মাতা কাজী হায়াৎ।
সৃজনশীল প্রকাশনায় যুক্ত আছি দুই যুগের বেশি সময় ধরে। স্বীকৃতিও পেয়েছি নানারকম। সামান্য কিছু লেখালেখি করি, তার জন্যও যে সম্মাননা পেয়েছি, তা অসামান্য আমার কাছে। আজকের স্বীকৃতিটি একেবারেই আলাদা, অন্তত আমার নিজের কাছে। ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ প্রাপ্তি আমার জন্যে অত্যন্ত আনন্দের, ভীষণ গৌরবের।
প্রয়াত ফজলুল হক ছিলেন একজন অগ্রগামী স্বাপ্নিক। স্বপ্ন তিনি শুধু নিজেই দেখতেন না, অন্যকেও দেখাতেন। আজ থেকে প্রায় ৭২ বছর আগে, ১৯৫০ সালে, বগুড়ার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তিনি প্রকাশ করেন চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’। ষাটের দশকের তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর নির্মাণ তাঁরই হাতে। বাংলাদেশের অগ্রগতির নানা ক্ষেত্রে এরকম অনেক প্রথম উদ্যোগের তিনিই স্রষ্টা। তাঁর সহধর্মিনী খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন ২০০৪ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন। তিনি প্রয়াত হয়েছেন এ বছরের ৩ জানুয়ারি। আমার আজকের এ পুরস্কার উৎসর্গ করছি প্রিয় রাবেয়া আপাকে।

বিজ্ঞাপন