চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এই বিজয় যারা প্রত্যাখ্যান করছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: কাদের

নির্বাচন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন ষড়যন্ত্রমূলক এবং মিথ্যা দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: নির্বাচনের দিন টিআইবির কোনো এজেন্ট কি নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে কথা বলেছে? নির্বাচন নিয়ে এতদিন পর কেন অলীক, অবিশ্বাস রূপকথার গল্প সাজাচ্ছেন আমরা জানি। এর জবাব দেশের জনগণই দেবে।

জনগণ এ অভূতপূর্ব বিজয় যারা প্রত্যাখান করছে জাতির কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দর হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের কোনো এজেন্ট কি নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রতিবাদ করেছে?

বুধবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দক্ষিণ যুবলীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‘নির্বাচনে কারচুপির কারণে ওবায়দুল কাদেরকে জাতীয় সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের এ বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন: বেপরোয়া গাড়ি চালক। কখন যে এক্সিডেন্ড করেন। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। যে মহাসচিব ১০ বছরে ১০ মিনিটও আন্দোলন করতে পারেননি। নির্বাচনে ১০টিও আসন পাননি তারা। আন্দোলন ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ, লজ্জা থাকলে তারই পদত্যাগ করা উচিত।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বর্ধিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তার মধ্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বলেন: রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার রাজনীতি হলো ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’৷ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে এক সাথে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা জনগণের ক্ষমতায়নের মূল কথা। এজন্য তিনি শুধু দল দেখেন না, দেখেন জনস্বার্থ। এ কারণেই আমাদের কাজ করতে হবে জনগণের জন্য। আমরা এখন প্রজা, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক।

তিনি বলেন: আমি নেতাকর্মীদের বলি জনগণের উপর কেউ খবরদারি করবেন না। জনগণের স্বার্থে শেখ হাসিনা আপনাকে বিসর্জন দিবে। দাপট দেখাতে যাবেন না, দম্ভ করবেন না, তাহলে বিপদে পড়ে যাবেন। জনগণের সাথে কেউ খারাপ আচারণ করলে তাকে ক্ষমা করা হবে না। এটাই শেখ হাসিনার দশর্ন।

এর আগে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির ‍কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন: সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে ত্যাগী ও রাজপথে সক্রিয়দের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন মনোনয়নে, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তৃতা করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদসহ অনেকে।