ইরানে হিজাব আইন কার্যকর করতে রাস্তায় রাস্তায় পুলিশি অভিযান আবারও শুরু হয়েছে। দেশটিতে নারীদের ড্রেস কোড মেনে চলা এবং জনসম্মুখে নারীদের চুল ঢেকে রাখার বিধান রয়েছে।
সোমবার ১৭ জুলাই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সূত্রে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের হিজাব আইন কার্যকর করতে ‘নৈতিকতা পুলিশ’ রাস্তায় ফিরে এসেছে। তেহরানে ড্রেস কোড অমান্য করার অভিযোগে গ্রেফতার মাহসা আমিনিকে পুলিশি হেফাজতে অত্যাচারের অভিযোগের ১০ মাস পর আবারও ইরানের রাস্তায় পুলিশি অভিযান শুরু হলো।
মাহসা আমিনিকে আটক এবং তার রহস্যজনক মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ড্রেস কোডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। সংঘর্ষে বহু হতাহতের খবর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে, গত ১০ মাস বন্ধ ছিল পুলিশি অভিযান। তবে ইসলামি কট্টরপন্থীরা বেশ কিছু দিন যাবৎ পুনরায় পুলিশি অভিযান চালু করার দাবি জানাচ্ছিল।
ইসলামি শরিয়তের উপর জোর দিয়ে ইরানের আইন অনুযায়ী, নারীদের অবশ্যই চুল ঢেকে রাখতে হবে। হেড স্কার্ফ পরা বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়াও লম্বা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে।
নৈতিকতা পুলিশ এই নিয়মকে সম্মান করে এবং ড্রেস কোড অমান্যকারীকে প্রথমে সতর্ক এবং পরবর্তীতে আটক করার অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, তারা প্রথমে নারীদের সতর্ক করবেন। কিন্তু এর পরও কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে আটক করতে বাধ্য হবেন।
বিক্ষোভকারীদের উপর ইরানের সহিংস দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো গত বছর নৈতিকতা পুলিশ এবং অন্যান্য শীর্ষ নিরাপত্তা ব্যক্তিদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।







