২০১৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল অক্ষয় কুমার অভিনীত ছবি ‘কেশরি’। দর্শকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল যে সিনেমাটি। এবার আসতে চলেছে সেই ছবির সিক্যুয়েল ‘কেশরি ২’। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল ছবিটির টিজার, যা দেখে বোঝা গিয়েছিল যে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি তৈরি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) মুক্তি পেয়েছে যে ছবির ফাস্ট লুক। ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে আসতেই দেখা গেছে দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মাধবনকে নিয়ে আলাদা করে বলার তো কিছু নেই। কাঁচা পাকা দাড়ি, চোখে চশমা, সব মিলিয়ে মাধবনকে দেখতে লাগছিল অসাধারণ। কিন্তু অনন্যাকে দেখে একদমই খুশি হতে পারেননি দর্শকরা!
ছবিতে অনন্যাকে সাদা শাড়ি, কালো ওয়েস্টকোট এবং গলায় সাদা ব্যান্ড পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এক ঝলক দেখলে মনে হবে, যেন ৭০ দশকের কোন অভিনেত্রী দাঁড়িয়ে রয়েছেন। অনন্যার এই নতুন অবতার দেখে এক দল যেমন খুব খুশি হয়েছেন তেমন কিছু মানুষ জানিয়েছেন আপত্তি।
কিছু মানুষ অনন্যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে লিখেছেন, ‘অনন্যা একজন ভালো অভিনেত্রী। খুব ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন।’ একজন লিখেছেন, ‘আশা করি অনন্যা সবার মন জয় করবে।’ তবে অনন্যার প্রশংসা করেছেন যতজন মানুষ, তার থেকে অনেক বেশি মানুষ অনন্যাকে নিয়ে ট্রোল করেছেন।
নেটিজেনদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ একটি ঐতিহাসিক চরিত্রে অনন্যার অভিনয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অনন্যার বদলে ওয়ামিকা গাব্বিকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। একজন লিখেছেন, ‘অনন্যার থেকে ওয়ামিকাকে নিতে পারতেন। অনন্যার থেকে উনি ১০০ গুন ভালো অভিনেত্রী।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘অনন্যা চরিত্রটি যেহেতু পাঞ্জাবি, তাই আমার মনে হল ওয়ামিকাকে নিলে ভালো হতো।’ তৃতীয় একজন লিখেছেন, ‘যে কোনও অভিনেত্রী অনন্যা থেকে ভালো অভিনয় করতে পারেন।’
শুধু ওয়ামিকা নন, অনেকে অনন্যার বদলে ক্যাটরিনাকে নেওয়ার কথাও বলেছেন। একজন লিখেছেন, ‘সম্ভবত অনন্যার চরিত্রটি একজন পাবলিক প্রসিকিউটর। একজন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। যদি তাই হয়, তাহলে ক্যাটরিনাকে নেওয়াই ভালো হতো।’ সহমত প্রকাশ করে অন্য একজন লিখেছেন, ‘ব্রিটিশ অ্যাংলো ইন্ডিয়ানের ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করতে পারতেন ক্যাটরিনা। অনন্যাকে নেওয়া পরিচালকের মিসকাস্ট হয়েছে।’









