‘ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’-এর অগ্রভাগ বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানা শুরু করেছে। ঘন্টায় ৯০ থেকে ৯৫ কিলোমিটার বেগে বইছে বাতাস।
ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া অফিস বলছে, মধ্যরাতে সিত্রাং-এর কেন্দ্রটি পটুয়াখালীর খেপুপাড়ার দিক থেকে চট্টগ্রাম ও বরিশাল অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। সর্বশেষ তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া অফিস বলছে, ‘সিত্রাং’ ঘন্টায় বিশ কিলোমিটার বেগে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন উপকূলের দিকে এসে ক্রমেই ঘণীভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিসের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক মো ছানাউল হক মণ্ডল জানিয়েছেন: ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভোররাত নাগাদ খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম ও বরিশাল অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টি যদি আরও উত্তর পশ্চিম দিকে সরে এসে ঘনীভূত হয় তবে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ইতোমধ্যে সিত্রাংয়ের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজ করছে।
আগামী ৪৮ ঘন্টা উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। অমাবস্যার জোয়ারের সাথে ‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং’-এর কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে জ্বলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ৫ থেকে ৮ ফুট বেশি হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।








