বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও দুদকের সাবেক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির আশঙ্কা, সাকিব আল হাসান আসামি হয়ে যেতে পারেন।
রোববার প্রধান কার্যালয়ের সামনে ঈদ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘তিনি (সাকিব) অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামিও হয়ে যেতে পারেন।’
ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ২০১৮ সালে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দুদকের চুক্তি হয়। হটলাইন-১০৬ উদ্বোধনকালেও তার সঙ্গে কাজ করে দুদক। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠলে ২০২২ সালে সাকিবকে আর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর না রাখার কথা জানায় সংস্থাটি।
সপ্তাহখানেক আগে চেক প্রতারণার মামলায় সাকিবের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান আদেশটি দেন।
আইএফআইসি ব্যাংকের ৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক প্রতারণার অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সাকিব আল হাসানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ব্যাংকটির পক্ষে শাহিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
গত বছরের ৫ আগস্ট আদাবরে পোশাক কারখানার কর্মী মো. রুবেল হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা রফিকুল ইসলামের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও অনেকের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিবকেও।









