ট্রাম্পের ইসরায়েলপন্থী কেবিনেট নিয়ে মুসলিম সমর্থকদের হতাশা

অভিনেতা ও রাজনীতিবিদদের সমাবেশে ট্রাম্পের ইসরায়েলপন্থী কেবিনেটের সদস্যরা উপস্থিত।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের গাজা ও লেবাননের যুদ্ধনীতি থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প তার কেবিনেটে একাধিক ইসরায়েলপন্থীকে বেছে নেয়ার কারণে বেশ হতাশ তার মুসলিম সমর্থকরা।
আজ (১৬ নভেম্বর) শনিবার রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা গাজায় যুদ্ধ এবং লেবাননে আক্রমণের জন্য বাইডেন প্রশাসনের সমর্থনের প্রতিবাদে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন তারাই এখন ট্রাম্পের কেবিনেটের পছন্দগুলো দেখে গভীরভাবে হতাশ হয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে পেনসিলভানিয়ার মুসলিমস ফর ট্রাম্পের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাবিউল চৌধুরী বলেছেন, ট্রাম্প আমাদের ভোটের জন্য জিতেছেন, কিন্তু আমরা তার কিছু সিদ্ধান্তে হতাশ।
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম এনগেজমেন্ট অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট নেটওয়ার্কের (এএমইইএন) নির্বাহী পরিচালক রেক্সিনালদো নজারকো বলেন, এখন মনে হচ্ছে এই প্রশাসন পুরোপুরি ইসরায়েলপন্থী এবং নব্যরক্ষণশীলদের দিয়ে ভরপুর। আমরা আশা করেছিলাম তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন, কিন্তু তা হচ্ছে না।
তবে ট্রাম্পের মুসলিম সমর্থকদের মধ্যে কেউ কেউ এখনও তার প্রতি আস্থা রাখছেন। মিশিগানের ডিয়ারবর্ন হাইটসের মেয়র বিল বাজ্জি মনে করেন, ট্রাম্প শান্তি চান এবং দীর্ঘমেয়াদে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিওকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। রুবিও গাজায় যুদ্ধবিরতির বিপক্ষে কথা বলেছিলেন এবং ইসরায়েলকে হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া, সাবেক আরকানসাস গভর্নর মাইক হাকাবিকে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, যিনি দুই-রাষ্ট্র সমাধানকে অকার্যকর বলে অভিহিত করেছেন।
তবে ট্রাম্পের ক্যাম্পেইন থেকে এই বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েলপন্থী অবস্থানের কারণে মুসলিমদের এই ক্ষোভ তার ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।







