অপেক্ষা ১৭ বছরের। ২০০৮ সালে আইপিএলের অভিষেক মৌসুম থেকেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলছেন বিরাট কোহলি। আগে তিনবার ফাইনালে খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি সেগুলোয়। ২০২৫ আসরে অধরা শিরোপা শোভা পেল ভারতীয় কিংবদন্তির হাতে। পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপাখরা কাটাল বেঙ্গালুরু।
আহমেদাবাদে অল্পের জন্য শিরোপা হাতছাড়া হয়নি কোহলিদের। শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের দরকার ছিল ২৯ রান। বলে আসেন জশ হ্যাজেলউড। প্রথম দুটি বলে ডট আদায় করে নেন। এরপর তাণ্ডব চালান শশাঙ্ক সিং। ৬-৪-৬-৬, পরের চার বলে আদায় করেন ২২ রান। কাঙ্ক্ষিত ২৯ রান নিতে না পারায় দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালের মঞ্চ থেকে খালি হাতে ফিরতে হয় পাঞ্জাবকে।
নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বেঙ্গালুরু। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৯০ রানের সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান করে থামে বলিউড তারকা প্রীতি জিনতার দল।
পাঞ্জাবের শশাঙ্ক সিং শেষঅবধি লড়াই করেছেন। তিনটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ৩০ বলে ৬১ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেছেন। জশ ইংলিশ ২৩ বলে ৩৯ রান, প্রভসিমরণ সিং ২২ বলে ২৬ এবং প্রিয়ানষ আর্য ১৯ বলে ২৪ রান করেন।
বেঙ্গালুরু বোলারদের মধ্যে ক্রুনাল পান্ডিয়া ও ভূবেনশ্বর কুমার দুটি করে উইকেট নেন।
আগে ব্যাটে নেমে বেঙ্গালুরুর হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছেন কোহলি। তার ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল তিনটি চারের মার। রজত পতিদার ১৬ বলে ২৬ রান, লিয়াম লিভিংস্টোন ১৫ বলে ২৫ রান, জিতেশ শর্মা ১০ বলে ২৪ রান, মায়াঙ্ক আগারওয়াল ১৮ বলে ২৪ রান এবং রোমারিও শেফার্ড ৯ বলে ১৭ রান করেন।
পাঞ্জাব বোলারদের মধ্যে আর্শদীপ সিং ৪ ওভারে ৪০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। কাইল জেমিসনও ৩টি উইকেট নেন, ৪৮ রান খরচায়।









