মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সবশেষ ১৩ আসরের মধ্যে সাতবার শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সেই মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে তৃতীয়বার ফাইনালে উঠেছে ভারত। জেমিমাহ রদ্রিগেজের অপরাজিত ১২৭ রানে ভর করে অজিদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে তারা। দুর্দান্ত ইনিংস খেলে স্বপ্নেই ভাসছেন ভারতের তারকা ব্যাটার। শিরোপা জয়ের আগে স্বপ্নটা থামাতেও চান না জেমিমাহ।
নাভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ৪৯.৫ ওভারে ৩৩৮ রান তুলে থামে। জবাবে ৯ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে হারমানপ্রীত কৌরের দল। প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে রোববার একই মাঠে সাউথ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ভারত।
জয় নিশ্চিতের পর কান্না যেন থামছিলই না জেমিমাহর। ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে ডাকা হলে কান্নার জন্য কথাই বলতে পারছিলেন না ঠিকঠাক। সেসময় ভারতের ২৫ বর্ষী ব্যাটার বলেন, ‘স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। স্বপ্নটা এখনও শেষ হয়নি। সত্যিই গত চার মাসের কাজটা কঠিন ছিল। এটা একা করতে পারিনি। মা, বাবা, কোচ এবং আমার উপর যারা বিশ্বাস রেখেছিলেন, তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
লিকলিকে গড়নের এ ব্যাটার পেশিবহুল কিংবা শক্তিমত্তা দিয়ে শট খেলেন না। ব্যাটিংয়ের দারুণ দক্ষতা, টাইমিংয়ের সহজাত ক্ষমতা ও কৌশল কাজে লাগানোর চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা তাকে সফল করেছে। অথচ ব্যাটিংয়ে নামার আগে এদিনও তিনে খেলতে হবে বলে জানতেন না জেমিমাহ।
১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের ইনিংসের পর জানালেন, ‘তিন নম্বরে ব্যাট করতে হবে জানতাম না। দলীয় আলোচনা চলাকালে গোসল করছিলাম। শুধু বলেছিলাম আমাকে জানাতে। মাঠে নামার পাঁচ মিনিট আগে, আমাকে বলা হয়েছিল তিন নম্বরে ব্যাট করতে হবে।’
সেঞ্চুরির পর উদযাপন না করা প্রসঙ্গে জেমিমাহ বলেছেন, ‘আমার পঞ্চাশ বা শতরানের বিষয় নয়। ভারতকে জিতিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল। একটা সেটআপ ছিল। আগে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো আমরা হেরেছি।’
রোববার নাভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মুখোমুখি হবে ভারত-সাউথ আফ্রিকা।









