চুয়াডাঙ্গা

৩৮ বছরে এই প্রথম কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসার সব পরীক্ষার্থী ফেল

কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ছবি: প্রতিনিধি।

৩৮ বছরে প্রথমবারের মতো চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় ২৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। ১৬ জন শিক্ষকের মাদ্রাসায় ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করলেও পরীক্ষা দেয় ২৮ জন। তবে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে না পারায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।

গত সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা বোর্ড দাখিল পরীক্ষা ফলাফল ঘোষণা করে।

অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, এ মাদ্রাসার ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। সবাই ফেল করেছে, বিষয়টি আশ্চর্যজনক। একজন শিক্ষকের ভাগে দুইজনেরও কম শিক্ষার্থীর দায়িত্ব পড়ে। সেখানেও সবাই ফেল করে কিভাবে? শিক্ষকরা মাদ্রাসায় গুরুত্ব দিয়ে পাঠদান করান না। তাদের মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বেতন ভাতা নিয়মিত পাওয়ার পরেও এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়ার মত নয়। প্রয়োজনে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হোক।

কুড়ালগাছি দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা আব্দুল সামাদ জানান, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছরে ইতিহাসে এ বারই প্রথম এ মাদ্রাসায় ফল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে ২০ জন ছাত্র ও ৮ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

তিনি আরো জানান, মাদ্রাসার ২৮ জন পরীক্ষার্থী একসাথে ফেল করার বিষয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করা হবে। ফেল করার বিষয়টি আমরা কোনভাবে মেনে নিতে পারছি না। পড়াশোনার গুণগত মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের পাঠদানের বিষয়ে বেশি বেশি কাজ করতে হবে। এ ধরনের ফল মেনে নেয়ার মত নয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা বেশ চিন্তিত।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটিতে ১৬ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

বিষয়:৩৮ বছরকুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসাসব পরীক্ষার্থী ফেল
প্রতিবেদক

রাজীব হাসান কচি

বাংলাদেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবর, মানুষের গল্প এবং যাচাইকৃত তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয় চ্যানেল আই অনলাইন।

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…