বিশ্বকাপের বাকি ২২ দিন: কখনও জয় পায়নি যে দেশগুলো

বাংলাদেশ ফুটবল দল ও শিশু ফুটবল খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, জাতীয় পতাকা ও পতাকাসংবলিত পরিবেশে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
ফিফা বিশ্বকাপ, যেখানে দেখা হয় স্বপ্ন, জেগে ওঠে জাতি, একটি গোলের জন্য হৃদয় ধড়ফড় করে সমগ্র জাতির। এ আসরে নতুন নায়কের জন্ম হয়, পুরনো তারকারা হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি। কেউবা ইতিহাস গড়েন, আবার কেউ লড়াই করে ইতিহাসে নাম লেখান জয় না পেলেও। অনেকেই আছেন, যারা বিশ্বকাপের মাঠে এসেছেন বারবার, ঘাম ঝরিয়েছেন, কিন্তু জয়ের স্বাদ একবারের জন্যও পাননি।
সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর মধ্যে প্রথমে আসবে কানাডা। উত্তর আমেরিকার দেশটি বিশ্বকাপ খেলেছে ১৯৮৬ এবং ২০২২ সালে। দুই বিশ্বকাপে ৬টি ম্যাচ খেলে সবেই হার। একটি ড্র পর্যন্ত নেই। ২০২২ সালে শক্তিশালী দল নিয়ে আসলেও ভাগ্য তাদের সহায় হয়নি।
২০২২ সালের আয়োজক দেশ কাতার। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম আয়োজক হিসেবে গ্রুপপর্বের ৩ ম্যাচেই হেরে যাওয়া দল। ঘরের মাঠে নিজ দর্শকদের সামনে জয়হীন থাকা তাদের জন্য ছিল অবিশ্বাস্য হতাশার।
২০১৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় পানামা। অভিষেকে ৩টি ম্যাচ, সবেই পরাজয়। কোন পয়েন্ট নেই। কনক্যাকাফ অঞ্চল থেকে এসে বিশ্বের সেরা দলগুলোর মুখোমুখি হওয়াটা ছিল তাদের বড় অর্জন।
১৯৮৬ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছে ইরাক। তিন ম্যাচ, সবেই হার। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে উঠে আসা দলটির জন্য বিশ্বকাপে অংশগ্রহণই ছিল ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
আফ্রিকার ফুটবলের অন্যতম শক্তি মিশর। তিনবার বিশ্বকাপে খেলে ৫টি হারের পাশাপাশি দুটি ড্র করতে পেরেছে। ২০১৮ সালে মোহাম্মেদ সালাহর নেতৃত্বে তারা এসেছিল বিশ্বমঞ্চে, কিন্তু জয় অধরা রয়ে গেছে।
বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচের সবেই পরাজিত হয়েছে এল সালভাদর। ১৯৮২ সালে হাঙ্গেরির কাছে ১০-১ গোলে হার এখনও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় পরাজয়।
তিনবার বিশ্বকাপ খেলা বলিভিয়া হেরেছে ৫টি আর ড্র করেছে এক ম্যাচে। ১৯৮২ এবং ২০১০ সালে দুবার বিশ্বকাপে অংশ নেয়া নিউজিল্যান্ডের ঝুলিতে আছে তিনটি ড্র ও তিনটি হার।






