বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, সেন্টমার্টিন এবং মহেশখালীর বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৈকত ও মেরিন ড্রাইভ রোডের কমপক্ষে ১০টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট এবং কলাতলীসহ বেশ কয়েকটি পর্যটন এলাকায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। জলোচ্ছাসের কারণে ভেঙে গেছে ট্যুরিস্ট পুলিশের অস্থায়ী স্থাপনা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সৈকতের দৃষ্টিনন্দন ঝাউগাছ।
সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রে জোয়ারের পানি ২ থেকে ৩ থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় কুতুবদিয়া,মহেশখালী সহ উপকুলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে লোকালয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। ফলে পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি,রাস্তাঘাট,পুকুর জলাশয়সহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা।
কুতুবদিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াই প্রু মারমা জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে কুতুবদিয়া আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের আনিসের ডেইল, তাবালের চর, হায়দার পাড়া এবং কাজির পাড়া। বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে সড়ক, পুকুর, জলাশয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ফসলের ক্ষেত প্লাবিত হচ্ছে।
এদিকে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে সেন্টমার্টিনের পর্যটন রিসোর্টগুলো হুমকির মুখে পড়েছে এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের লোকজন খুব কস্টের মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস কমে যাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।
কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের গোসলে সতর্কতা জারী এবং হাঁটু পানির নীচে নামতে নিষেধ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফ গার্ড কর্মীরা।









