আফগানিস্তানের বিপক্ষে হেরে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ারও বিদায়ঘণ্টা বেজে যায়। থেমে যায় বাঁহাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের ১৫ বছরের বর্ণিল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও। তবে অবসর নেয়া সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ওপেনার আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার দরজা খোলা রাখলেন।
২০২৩ সালে ভারতে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা জেতার ম্যাচটি ছিল একদিনের ক্রিকেটে ওয়ার্নারের শেষ। গত জানুয়ারিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা টেস্ট সিরিজের মাধ্যমে সাদা পোশাককেও বিদায় বলে দেন। জানিয়ে রেখেছিলেন, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে ছোট সংস্করণকে বিদায় বলে দেবেন।
সোমবার ইনস্টাগ্রামে দেয়া পোস্টে ওয়ার্নার জানিয়েছেন, দলের প্রয়োজন হলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য তিনি উন্মুক্ত থাকবেন। যদিও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আগামী সিরিজগুলোতে তাকে পাওয়া যাবে না। আগামী সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড, নভেম্বরে পাকিস্তানে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যাবে অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নারের জায়গাটা ওপেনিংয়ে নিতে পারেন জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক।
সাবেক অজি ওপেনার লিখেছেন, ‘আমি কিছু সময়ের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে থাকব। দলে যদি সুযোগ আসে, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার জন্যও উন্মুক্ত আছি।’
গত জানুয়ারিতে ওয়ার্নারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছিলেন প্যাট কামিন্স। ক্যাঙ্গারুদের টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়কের ভাষ্য ছিল, ‘আমি মনে করি ওয়ানডেতে অন্যকাউকে সুযোগ দেয়ার সময় এসেছে। তবে এটা জেনেছি, তিনি এখনও ক্রিকেট খেলবেন। তাই জরুরি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় থাকতে পারেন। ডেভিড বিশ্বের কোথাও রান করতে থাকলে আপনি কখনোই বলতে পারেন না যে এটাই শেষ।’
ওয়ার্নার ওয়ানডে ক্যারিয়ার ২২ সেঞ্চুরিসহ ৪৫.৩০ গড়ে ৬,৯৩২ রান করেছেন। আগামী মাসে কানাডার গ্লোবাল টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট দিয়ে বাঁহাতি ব্যাটার মাঠে ফিরবেন। এরপর কেম্যান দ্বীপপুঞ্জে খেলবেন টি-টেন টুর্নামেন্ট। সিডনি থান্ডার তাকে বিগ ব্যাশ লিগে ফিরে পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের টি-টুয়েন্টিতে দুবাই ক্যাপিটালসের সাথে তার চুক্তি রয়েছে।









