বিপিএলে শুক্রবার সিলেটকে হারিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে সরিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে নিয়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। পরের দিন সেই চট্টগ্রামকে হারিয়ে টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও পাকাপোক্ত করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ১০ ম্যাচ শেষে রাজশাহীর পয়েন্ট ১৬, এবারের আসরের সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী দলও তারা। শেষ ম্যাচ চট্টগ্রাম জিতলেও রাজশাহীকে ছাড়াতে পারবে না দলটি।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক শান্ত। আগে ব্যাট করা চট্টগ্রাম নির্ধারিত ১৯.৫ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান তোলে। জবাব দিতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ৩ উইকেট ও ৩ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী। প্লে-অফের সমস্ত হিসেব-নিকেশ বলছে প্রথম ম্যাচের খেলবে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম।
রাজশাহীর বিপক্ষে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। কোটি টাকার নাঈম শেখ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। অপর ওপেনার মোহাম্মদ হারিস ১৬ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। তিনে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় করেন ১৯ রান।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংসটি খেলেছেন পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলী। তিনি ২৪ বলে ৩৯ রানের ইনিংসটি খেললে চট্টগ্রামের শতরানের কোটা পার হয়। এছাড়া হাসান নাওয়াজ করেন ১৮ রান।
রাজশাহীর পেসার তানজিম হাসান সাকিব একাই নেন ৪ উইকেট। রায়ান বার্ল ও জাহানদাদ খান নেন ২টি করে উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন জেমস নিশাম ও হাসান মুরাদ।
স্বল্প রানের লক্ষ্যে জবাব দিতে নেমে বেশ বেগ পেতে হয়েছে রাজশাহীকে। ওপেনিংয়ে শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে রান আসেনি। ৭ এবং ৮ রান করে দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে যান। অধিনায়ক শান্তও ৩ রানে শরিফুরের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, ৪১ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। আকবর আলীও ৪১ বলে ৪৮ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলে রাজশাহীকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয় নিশ্চিত হয় রাজশাহীর, তারা এবারের আসরের সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী দল।
চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলাম ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২টি উইকেট নিয়েছেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। একটি উইকেট পেয়েছেন আবু হায়দার রনি।









