গত শুক্রবার ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের (আকু) বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ তুলেছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালস সিইও আতিক ফাহাদ। দুদিন পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির দাবি, কোন নিয়ম ভাঙেনি আকু, বরং তৎপরতায় সন্দেহজনক আচরণ ৮০ শতাংশ কমে এসেছে।
রোববার বিবৃতিতে অবস্থান পরিষ্কার করেছে বিসিবি। বলেছে, কোন খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়নি। পাশাপাশি আকুর জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
বিসিবি বলেছে, আইসিসির বৈশ্বিক ইন্টেগ্রিটি কাঠামোর আওতায় চলতি বিপিএলের যেকোনো বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহের ভিত্তিতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিট জানিয়েছে, এসব কার্যক্রম বিসিবির দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ এবং ক্রিকেটে অনিয়ম রোধে বোর্ডের দৃঢ় অবস্থানকে তুলে ধরে। ফলে কোন খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়নি। এই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ফলে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত সতর্কবার্তা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলা হয়েছে। সাক্ষী হিসেবে তাদের কাছ থেকে খেলোয়াড় নিয়োগ প্রক্রিয়া, চুক্তির শর্ত এবং পারিশ্রমিক কাঠামো যাচাই করা হয়েছে। তবে এসব বৈঠক ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয় ও প্রতিরোধমূলক এবং এর অর্থ এই নয় যে, সংশ্লিষ্ট কোন খেলোয়াড় তদন্তের আওতায় রয়েছেন বা তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার সংবাদ সম্মলনে ঢাকা ক্যাপিটালস সিইও আতিক ফাহাদ আকুর বিরুদ্ধে নিয়ম না মানার অভিযোগ তোলেন। জানান, কোনধরনের নিয়মনীতি না মেনেই খেলোয়াড়দের হোটেল কক্ষে প্রবেশ এবং ব্যাটে নামার আগে জিজ্ঞাসাবাদ করছে আকু। মোবাইলও নিয়ে নেয়া হয়েছে অনেকের। আকুর এমন হস্তক্ষেপে খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।









