আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ম্যাচের সিরিজে প্রথমটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ২০১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটে সুবিধা করতে পারেনি টিম টাইগার্স। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন জাস্টিন গ্রেভস। সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল ক্রেগ ব্র্যাথওয়েটের দল।
প্রথম ইনিংসে ব্যাটে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ৪৫০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে উইন্ডিজ। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৬৯ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে। ১৮১ রানে এগিয়ে থাকা উইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫২ রানে অলআউট হলে বাংলাদেশ লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৩৪ রান। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩২ রানে অলআউট হলে স্বাগতিকরা জয় পায় ২০১ রানে।
অ্যান্টিগায় স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সফরকারী অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। জাস্টিন গ্রেভসের সেঞ্চুরি (১১৫) ও মিকাইলে লুইসের (৯৭) ও অ্যালিক অ্যাথানজের (৯০) দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে সাড়ে চারশ রানে যায় স্বাগতিক দল। বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ ৩টি এবং তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ২টি করে উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ব্যাটে নেমে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ, ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মাঝে জবাবটা ঠিকঠাক দিতে পারেননি মিরাজরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৩ রান আসে জাকের আলীর থেকে। ফিফটি করে আউট হন মুমিনুল হক এবং ৪০ রান করেন লিটন দাস। আড়াইশ পেরোয় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রানে এগিয়ে ব্যাটে নেমে ব্র্যাথওয়েটরা তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী মিরাজের বোলিং তোপে পড়েন। দ্বিতীয় ইনিংসে দলটি ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয় দল। সর্বোচ্চ ৪২ রান আসে অ্যালিক অ্যাথানজের থেকে। বাংলাদেশের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৩৪ রান। ক্যারিয়ার সেরা ৬৪ রানে ৬ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।
বড় লক্ষ্যে ব্যাটে নেমে আবারও লেজেগোবরে অবস্থা বাংলাদেশের। টপঅর্ডারের ব্যর্থতার পর মিডলঅর্ডারও ব্যর্থ হয়। ৪৫ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন অধিনায়ক মিরাজ। কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় ছিলেন জাকের আলী, করেন ৩১ রান। শেষ উইকেটে শরিফুল ইসলাম রিটায়ার্ড হার্ট হলে ম্যাচ শেষ হয় এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় পায় ২০১ রানে। ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন কেমার রোচ ও জেডেন সিলেস। দুই উইকেট নিয়েছেন আলঝারি জোসেফ।









