মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলার ২২ বছর আজ। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় চারটি যাত্রীবাহী জেট বিমান ছিনতাই করে সেগুলো দিয়ে আঘাত হানা হয় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে। নিহত হন কয়েক হাজার মানুষ। নানা কর্মসূচিতে দিনটি স্মরণ করছে সারবিশ্ব।
হামলার ভয়াবহতায় শুধু আমেরিকানরাই নয়, চমকে গিয়েছিলো গোটা বিশ্ব। যা ‘নাইন ইলেভেন’ নামে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত।
পূর্ব আমেরিকার আকাশপথ দিয়ে চারটি বিমান একইসাথে ছিনতাই করে আফগানিস্তানের উগ্র মতাদর্শের সংগঠন আল-কায়দা। তারপর বিমানগুলি নিউইয়র্ক এবং ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আঘাত হানে।
এই হামলায় প্রায় তিন হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। আহত হন কয়েক হাজার মানুষ। এই হামলার ঘটনায় বিশ্বের রাজনীতি ও সামরিক নিরাপত্তার ধারণা পাল্টে যায়, আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আমেরিকা ও মিত্র দেশ ওসামা বিন লাদেনকে অভিযুক্ত করে। সে সময়ের লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে বললে অস্বীকার করে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। পরে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেয়।
যুদ্ধের দুই মাসে পতন ঘটে তালেবান সরকারের। পরে ২০১১ সালে পাকিস্তানে মার্কিন সেনাদের অভিযানে নিহত হয় ওসামা বিন লাদেন।
২০১৮ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে শান্তি চুক্তিতে বসে তালেবান। এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে মার্কিন প্রশাসন। শর্ত মেনে আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। পরে ২০২১ সালে পহেলা মে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু করে।
তবে সম্প্রতি সময়ে টুইনটাওয়ারে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছে তালেবান। এফবিআইকে তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন জো বাইডেন।







