সম্পাদকীয়

এমন নারকীয় দিন যেন আর না আসে

এমন নারকীয় দিন যেন আর না আসে

১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেক কালো অধ্যায় ২১ আগস্ট। ২০০৪ সালের এই দিনে দেশে বিরোধীদলের জনসভায় বোমা গুলি ও গ্রেনেড হামলার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়। শুধু তাই নয়, বর্বরোচিত এমন ঘটনার পর বিচারের নামে চলে প্রহসন। সেদিনের ঘটনায় নিহত হন আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী। নারকীয় ওই হামলা দেশের রাজনীতির চিত্র পাল্টে দিয়ে এক কালো অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধি জনসভায় নারকীয় গ্রেনেড হামলার দেড় যুগ পেরিয়ে গেছে। গ্রেনেড হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি নেতাকর্মীদের সম্মিলিত মানব ঢালে বেঁচে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি হতাহত মানুষের প্রতিটি পরিবারের প্রতি যথাসাধ্য সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছেন।

দেড় যুগ আগের এই দিনে ভয়ংকর সেই গ্রেনেড হামলা ও হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, গোয়েন্দা সংস্থার তৎকালীন দুই শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৪ জন জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের সদস্য। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং অপর ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

সেই হামলায় যারা নিহত হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে তাদের কথা গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এখনও আসছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের এ কান্না হয়তো কোনদিনও শেষ হবে না। এছাড়া আহত অনেকেই এখনও পঙ্গুত্ব বরণ কিংবা স্প্রিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছেন। এ হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় কার্যকরের মাধ্যমে তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করা যেতে পারে। এছাড়া রায় পুরোপুরি কার্যকর হলে ভবিষ্যতের জন্যও রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এটি একটি বার্তা হয়ে থাকবে।

বিষয়:২১ আগস্ট২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলাগ্রেনেড হামলাসম্পাদকীয়
প্রতিবেদক

সম্পাদনা পর্ষদ

বাংলাদেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবর, মানুষের গল্প এবং যাচাইকৃত তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয় চ্যানেল আই অনলাইন।

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…