সরকার পতনের ১ দফা দাবিতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে জয়পুরহাট জেলা শহর। সংঘর্ষে মেহেদী হাসান (২১) নামে এক আন্দোলনকারী ও জেলা যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি রফিকুজ্জামান রহিম (৫২) গুলিবিদ্ধ হয়। আশংকাজনক অবস্থায় বগুড়ায় নেয়ার পথে তারা মারা যান। এছাড়াও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সামসুল আলম দুদুসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, রোববার ৪ আগস্ট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শহরের জিরো পয়েন্টে এসে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে আন্দোলনকারীরা। এর এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় আন্দোলনকারীরা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।
হামলার সময় ভিতরে থাকা স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. সামছুল আলম দুদুসহ আওয়ামী লীগের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এছাড়াও আগুন দেওয়া হয় ছাত্রলীগ অফিসে, ভাঙচুর করা হয় শ্রমিক লীগ অফিস এবং আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয় বিটিভি’র সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টুসহ তিন সাংবাদিকের ২টি প্রাইভেট কার ও একটি মোটরসাইকেল। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকটি মোটরসাইকেলে পুড়িয়ে দেয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে আহত হন আন্দোলনকারী ও পথচারীসহ আরও অন্তত ৩০ জন। আহত সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।









