ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মানবিক সাহায্যের জন্য অপেক্ষারত বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালালে তিনজন নিহত এবং অনেকে আহত হন।
শনিবার (৯ আগস্ট) বার্তা সংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন, এরমধ্যে মানবিক সাহায্যের জন্য অপেক্ষারত বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালালে তিনজন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন।
খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলীয় বানি সুহেলা শহরের আসফোর স্টেশনের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীও নিহত হন।
উত্তর গাজায়, গাজা শহরের আল-তুফাহ পাড়ার সানাফোর জংশনের কাছে একদল বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী বিমান হামলা চালায়, এতে একজন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন।
গাজা শহরের শেজাইয়া পাড়ার মুশতাহি স্ট্রিটে পৃথক বিমান হামলায় আরও একজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
পূর্ব খান ইউনিসে বানি সুহেলা গোলচত্বরের কাছে জড়ো হওয়া একটি দলকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানোর পর আরও দুই বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মধ্য গাজায়, কিসুফিম ক্রসিং এলাকার কাছে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একটি সাহায্যকারী নিরাপত্তা দলের পাঁচ সদস্য নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গাজার ওপর তাদের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের মুখোমুখি হচ্ছে, যেখানে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ৬১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সামরিক অভিযান ছিটমহলটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ছিটমহলে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যা মামলার মুখোমুখিও হয়েছে।









