ফিলিপিন্সে ১১৪ ফুট উচ্চতার একটি মুরগি আকৃতির হোটেলে ট্যান নামের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টের অংশ। মুরগি আকৃতির ওই ভবনটি ইতোমধ্যে গিনেস বুকেও স্থান করে নিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
হোটেলটিতে শীতাতপ যন্ত্র, বড় টিভির মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত মোট ১৫টি কামরা রয়েছে। মুরগির আদলে তৈরি সেই হোটেল তাক লাগাচ্ছে দেশ-বিদেশের বহু মানুষকে।
ফিলিপিন্সে নিগ্রোস অক্সিডেন্টালের ক্যাম্পুয়েস্টোহানে বিশালাকার মুরগি আকৃতির ভবনটি রয়েছে। ইতিমধ্যেই মুরগি আকৃতির হোটেলটি গিনেস বুকেও নিজের জায়গা করে নিয়েছে।
ভবনটির উচ্চতা ১১৪ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং ৩৯ ফুট ৯ ইঞ্চি চওড়া। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুরগি আকৃতির ভবন। ৬ মাস পরিকল্পনার পর ২০২৩ সালের জুন মাসে হোটেলটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। শেষ হয় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে। এর পরেই গিনেস বুকে নাম তোলে এই ভবন।
ট্যান নামে এক রিসোর্টের একটি অংশ এই মুরগি আকৃতির ভবনটি। ট্যানের যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালে। তিনি এবং তার স্ত্রী নীতা রিসোর্ট তৈরির জন্য ওই জমি কিনেছিলেন। উপযুক্ত রাস্তা এবং বিদ্যুতের অভাব থাকলেও মুগ্ধ করা পাহাড়ের দৃশ্যের জন্য পরিচিত ক্যাম্পুয়েস্টোহান শহর।
গত বছর নিজের রিসোর্ট আরও আকর্ষণীয় করে তোলার কথা মাথায় আসে ট্যানের। সেখান থেকেই ওই মুরগি আকৃতির হোটেল তৈরির ভাবনাও আসে। গত বছরের ১০ জুন নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্মাণকাজ ৬ মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ওই অঞ্চলে ঘটে যাওয়া একের পর এক গ্রীষ্ণমণ্ডলীয় ঝড় এবং টাইফুনের কারণে বারবার বাধা পড়ে কাজে। শেষমেশ সেপ্টেম্বর মাসে নির্মাণকাজ শেষ হয়।









