নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে দারুণ এক রেকর্ডে নাম লিখেছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা। শহিদ আফ্রিদিকে টপকে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে শীর্ষ উইকেট শিকারি হয়েছিলেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে করে ফেললেন উইকেটের সেঞ্চুরি, ইয়র্কার মাস্টার লঙ্কান পেসার সঙ্গে টানা ৪ বলে ৪ উইকেট নেয়ার কীর্তিও গড়েছেন।
ওয়ানডেতে একমাত্র বোলার হিসেবে ৪ বলে ৪ উইকেট নেয়ার রেকর্ডও কেবল মালিঙ্গারই।
পাল্লেকেলেতে শুক্রবার তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের শেষটিতে নিজের দ্বিতীয় ওভারের শেষ ৪ বলে ৪ উইকেট নেন মালিঙ্গা। সবকটি বলই ছিল ইয়র্কার। যার প্রথম উইকেটটি তাকে এনে দিয়েছে সেঞ্চুরির স্বাদ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম বোলার হিসেবে একশ উইকেটের ক্লাব খুলেছেন ৩৬ বছর বয়সী পেসার।
এদিন কলিন মুনরোকে বোল্ড করে শুরু। পরের বলে হামিশ রাদারফোর্ডকে করেন এলবিডব্লিউ। অবশ্য রিভিউ নিতে হয়েছিল, তাতে মিলেছে সফলতা। ওভারের পঞ্চম বলে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে আরেকটি ইয়র্কারে বোল্ড করেন। হয়ে যায় হ্যাটট্রিক। আর তার পরের বলে রস টেলর এলবির ফাঁদে। হয়ে যায় ৪ বলে ৪ উইকেট।
পরের ওভারে টিম সেইফার্টকে গুনাথিলাকার ক্যাচ বানিয়ে টি-টুয়েন্টিতে দ্বিতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন মালিঙ্গা। ৪ ওভারে মাত্র ৬ রানে ৫ উইকেট, তার ক্যারিয়ারসেরা। এই ফরম্যাটে ১০৪ উইকেট এখন তার। আর দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। ২০১৭ সালে কলম্বোতে বাংলাদেশের বিপক্ষে করেছিলেন প্রথম হ্যাটট্রিকটি।
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ তিন হ্যাটট্রিকের মালিক মালিঙ্গা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগে যখন ৪ বলে ৪ উইকেট নিয়েছেন, সেটি ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে। সেবার দুই ওভার মিলিয়ে কীর্তিটি গড়েছিলেন। এক ওভারের শেষ দুই বলে, আর পরের ওভারের প্রথম দুই বলে।
দারুণ রেকর্ডের দিনে অবশ্য ৩৭ রানে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে শ্রীলঙ্কা। শুরুতে ৮ উইকেটে ১২৫ রান তুলেছিল স্বাগতিকরা, পরে ১৬ ওভারে ৮৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে জেতা কিউইদের।








