সিরিয়ার রাসায়নিক হামলার কড়া জবাব দেয়া হবে: ট্রাম্প

সিরিয়ার রাসায়নিক হামলায় জড়িতদের জোরালো জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খুব দ্রুতই পশ্চিমা নেতাদের সাথে নিয়ে এ পদক্ষেপ নিবে মার্কিন প্রশাসন।
এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমাদের সামরিক বাহিনীর অনেক বিকল্প আছে। তাই অতি শিগগির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শনিবার সিরিয়া দৌমায় রাসায়নিক হামলার ঘটনার দায়ী ব্যক্তিদের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
তবে প্রাথমিক অবস্থায় মৃত্যুর সংখ্যা অত্যন্ত ৭০ জন বলে জানা গেলেও ধারণা করা যাচ্ছে এ সংখ্যা অর্ধশতাধিক।
সোমবার ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রনের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকে সিরিয়ার রাসায়নিক হামলা নিয়ে এক আলোচনা হয়।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে, বর্বর রাসায়নিক হামলার বিষয়টির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সমর্থকদের কড়া জবাব দিবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পশ্চিমা নেতাদের কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া।
রাশিয়ার প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, এ হামলাটি ঘটানো হয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সর্তক করার জন্য। এবং এ বাহিনীর জন্য ‘গুরুতর বিপর্যয়’বয়ে আনবে বলে তাদের ধারণা।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা সভায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকী হেলি বাশার আল আসাদকে দানব আখ্যায়িত করে বলেন, সিরিয়ার শিশুদের রক্তপাত ঘটানোতে সিরিয়ার সরকার পন্থীদের সমর্থক রয়েছে।
মঙ্গলবার মেসারিকে হেলি সিরিয়ার রাসায়নিক হামলার বিষয়ে নতুন তদন্তের একটা খসড়া প্রস্তাব দেন এবং ভোটের আহ্বান জানান। তবে প্রস্তাবের বিষয়ে রাশিয়ার সমর্থন নেই বলে জানিয়েছে।







