আগের দুই ম্যাচে অজিদের কাছে পাত্তাই পায়নি সফরকারীরা। কিন্তু তৃতীয় ওয়াডেতে অন্যরকম জিম্বাবুয়েকে দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার স্বাগতিকদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল রেগিস চাকাভার দল।
টাউন্সভিলের রিভারওয়ে স্টেডিয়ামে শনিবার অস্ট্রেলিয়াকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ৫ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের জয়ের নায়ক রায়ান বার্ল।
যেকোনো ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮ বছর পরে জিতল জিম্বাবুয়ে। তবে ঐতিহাসিক এই জয়ের পরেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে রোডেশিয়ানরা।
শুরুতে ব্যাটিং করে আগের দুই ওয়ানডেতে ভালো সংগ্রহ পায়নি জিম্বাবুয়ে। তাই শেষ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারীরা। অধিনায়ক রেগিস চাকাভার সে সিদ্ধান্ত যে সঠিক, সেটা প্রমাণ করতে অবশ্য খুব বেশি সময় নেননি এনগারাভা-ইভান্সরা।
৫ রানে অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাতটা হানেন রিচার্ড এনগারাভা। পরের ওভারে স্টিভেন স্মিথকে এলবিডব্লিউ করেন ভিক্টর নায়ুচি। অ্যালেক্স ক্যারে ও মার্কাস স্টোয়িনিস দুজনকেই উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানান ব্রাড ইভান্স। টিকতে পারেননি ক্যামেরন গ্রিনও।
৭২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া যখন লজ্জার মুখে, তখনও একপাশ আগলে ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ষষ্ঠ উইকেটে ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে গড়েন ৫৭ রানের জুটি। তবে শেষরক্ষা হয়নি তাতে। ১৯ রান করে ম্যাক্সি রায়ান বার্লের বলে আউট হলে আবারও ভেঙে পড়ে পড়ে অস্ট্রেলিযার ব্যাটিং লাইন।
রায়ান বার্লের ১৪১ রানে থামে অজিদের প্রথম ইনিংস। ১৪ চার ও ২ ছয়ে অস্ট্রেলিয়ার এক-তৃতীয়াংশ রান করেছেন ওয়ার্নার। ৯৬ বলে ম্যাচের সর্বোচ্চ ৯৪ রান করে তিনি আউট হয়েছেন বার্লের বলে ক্যাচ দিয়ে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুই পায় জিম্বাবুয়ে। জশ হ্যাজেলউডের আউটসুংয়ে ৩৮ রানে ভাঙে সফরকারীদের উদ্বোধনী জুটি। ২৫ বলে ১৯ রান করে ফিরে যান তাকুওয়ানাশে কাইতানো।
এরপর ৩৯ রানের ব্যবধানে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে আবারও হারের শঙ্কা পড়ে যায় সফরকারীরা। তবে ছোট লক্ষ্যে দলকে পথ হারাতে দেননি রেগিস চাকাভা। ৭২ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অধিনায়ক নিজেই।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন জশ হ্যাজেলউড। একটি করে উইকেট গেছে মিচেল স্টার্ক, গ্রিন, স্টইনিস এবং অ্যাস্টন অ্যাগারের জুলিতে।








