বাংলাদেশ সফরে প্রথমবার টস জিতল ভারত। চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লোকেশ রাহুল। ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচেই টস ভাগ্য সঙ্গী হয়েছিল বাংলাদেশের। ১০১তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছে জাকির হাসানের। তবে একাদশে জায়গা পাননি জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সাতটি সেঞ্চুরি করা মুমিনুল হক।
জাতীয় ক্রিকেট লিগে ধারাবাহিকভাবে রান করার পর ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে সেঞ্চুরি জাকিরকে নিয়ে আসে টেস্ট সিরিজের দলে।
বাংলাদেশ একাদশ: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), জাকির হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির আলি চৌধুরী, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ।
২২ বছরে বাংলাদেশ-ভারত টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে মোট ১১ বার। টাইগারদের ৯ হারের পাশে দুইবার ড্র হওয়ার ঘটনা বৃষ্টির কল্যাণে।
দু’দলের লড়াইয়ে বাংলাদেশ প্রথম ড্রয়ের স্বাদ পায় ২০০৭ সালে, চট্টগ্রামে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন বৃষ্টিতে কোনো বল মাঠে গড়ায়নি। শেষ দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশকে ২৫০ রানের লক্ষ্য দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। জাভেদ ওমর বেলিমের অপরাজিত ফিফটিতে বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান তোলার পর ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। নড়াইল এক্সপ্রেস প্রথম ইনিংসে চারটি, দ্বিতীয় ইনিংসে একটি উইকেট ছাড়াও ব্যাট হাতে ৭৯ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেছিলেন।
পরেরটি ২০১৫ সালে, ফতুল্লায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ও একটি টেস্ট খেলতে আসে ভারত। একমাত্র টেস্টে অর্ধেকেরও বেশি সময় নষ্ট হয় বৃষ্টিতে। দুইশ ওভারও মাঠে খেলা গড়ায়নি।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৪০০, সর্বনিম্ন ৯১। অভিষেক টেস্টের দুটি ইনিংসে গড়া রেকর্ড এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ ইনিংসটি ৬৮৭ রানের, সর্বনিম্ন সংগ্রহ ২৪৩।
৭ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। সিরিজটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।







