২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন সংক্রান্ত মিথ্যা দাবিসহ যেসব প্রচারণামূলক ভিডিও আপলোড করা হয়েছে, এমন অনেক ভিডিও সরিয়ে নিয়েছে ইউটিউব। তবে পুরনো ভিডিও এখন আর না সরানোর ঘোষণা দিয়েছে ইউটিউব। কিন্তু আগামীতে এমন প্রচারণা বন্ধ করা হবে। নিরপেক্ষতা রক্ষায় ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগের এটি কার্যকর করা হবে।
বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ জুন) নিজেদের ভেরিফাইড পেইজে এই ঘোষণা দেয় ইউটিউব। ইউটিউব তাদের পোস্টে বলেছে, আগের নির্বাচনের অখণ্ডতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এমন কয়েক হাজার ভিডিও ইতোমধ্যেই সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন থেকে এমন প্রচারণামূলক ভিডিওকে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। নীতিটি গতকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে।
ইউটিউব এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ২০১৬ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর থেকে রাজনৈতিক ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য তীব্র চাপের সম্মুখীন হয়েছে। ইউটিউব বলছে, পরবর্তী নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ হয় তাই এই নীতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ইউটিউব তার একটি বিবৃতিতে বলেছে, নির্বাচন প্রচারণামূলক সব ভিডিও সরানোর ফলে অনেক ভুল তথ্য রোধ করা যাবে যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে সাহায্য করবে।
নির্বাচনী জালিয়াতি নীতিটি ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মাসে প্রয়োগ করা হয় যার ভিত্তিতে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট করা একটি ভিডিও ইউটিউব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় যেখানে তিনি বিক্ষোভকারীদের মার্কিন রাজধানী ছেড়ে যেতে বলেন।
একইভাবে ২০২২ সালে মার্কিন কংগ্রেসনাল কমিটির পোস্ট করা একটি ভিডিও ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয় যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প মিথ্যা নির্বাচন প্রচারণা করেন।
সম্প্রতি চলতি বছরের মার্চ মাসে ইউটিউব ডোনাল্ড ট্রাম্পের চ্যানেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। তার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ২ দশমিক ৭ মিলিয়নের বেশি।







