দৈনিক ভোরের কাগজের হেড অব অনলাইন এবং অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেলকে গভীর রাতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দিয়ে তুলে নিয়ে হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইয়ুথ জার্নালিস্ট কমিউনিটি (ওয়াইজেসি)।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আহসান কামরুল এবং সাধারণ সম্পাদক সজিব খান এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্টের পর নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের যেই প্রতিশ্রুতি, তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করবে।
ওয়াইজেসি’র বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, মোবাইল ফোন নিয়ে সরকারের একটি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন থামিয়ে দিতে এমন হীন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আমরা মনে করি, সংবাদ সম্মেলন করে যে কারও মতপ্রকাশ ও বক্তব্য জানানোর অধিকার রয়েছে। এতে বাধা দেওয়া বা ডিবি পুলিশ দিয়ে তুলে নেওয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল।’
ইয়ুথ জার্নালিস্ট কমিউনিটি জানায়, পতিত শেখ হাসিনার সরকারের সময়েও আমরা একই ধরনের কর্মকাণ্ড হতে দেখেছি। যার ফলশ্রুতিতে ১৪শ’র বেশি মানুষ জীবন দিয়ে নতুন সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। সেই সরকারের গোয়েন্দা পুলিশ বা কারোই একই ধরনের কর্মকাণ্ড কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কোন সাংবাদিক বা যে কারও বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে সংস্থাগুলোকে পরোয়ানা কিংবা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে যেতে হবে। এর বদলে গভীর রাতে তুলে নেওয়ার মতো সংস্কৃতি গর্হিত অপরাধ। এই সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে।
একইসাথে উক্ত ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইয়ুথ জার্নালিস্ট কমিউনিটি (ওয়াইজেসি)।









