প্রশিক্ষণ এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার মতে, পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে এবং সম্মান বয়ে আনতে ভবিষ্যৎ ক্রীড়াবিদদের খুঁজে আনার একমাত্র উপায় প্রতিভা অন্বেষণ।
বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে ’তৃণমূল পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ২০২৪-২০২৫’র সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন বলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বাড়ানোর কথা ভাবছেন আসিফ মাহমুদ। বলেছেন, ‘এই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কাজ করছে। দশটি ক্রীড়া ক্ষেত্রে যারা প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় বাছাই হয়েছেন তাদেরকে স্ব স্ব ফেডারেশনের সাথে সমন্বয় করে আরো বেশি প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। প্রতি ছয় মাস পরপর ফেডারেশনের মাধ্যমে বাছাইকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। প্রশিক্ষণের প্রোগ্রেসের উপর ভিত্তি করে তাদের ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার পাথ নির্ধারণ করা হবে।’
আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা। বলেছেন, ‘আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদদের জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে যথাযথ অবকাঠাম গড়ে তোলার পাশাপাশি এমন একটি ক্রীড়াবান্ধব ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কাজ করছে, যেখানে একজন খেলোয়াড় তৃণমূল পর্যায়ে থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সুযোগ পাবেন।’
তৃণমূল পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ২০২৪-২০২৫এ ১০টি ইভেন্টে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৫০০ জন খেলোয়াড় অংশ নেয়। প্রাথমিক বাছাই শেষে ১৬২ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যার মধ্যে ৮৯ জন বালক ও ৭৩ জন বালিকা।









