চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    [vc_row][vc_column][vc_video link="https://www.youtube.com/live/GvSQMcp7GDo?si=AFUi4hYFRyndxJNP" css=""][/vc_column][/vc_row]
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

গাছের পাতায় পাওয়া যাচ্ছে সোনা, গবেষণায় যা জানা গেল

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
11:59 পূর্বাহ্ন 23, অক্টোবর 2025
- সেমি লিড, আন্তর্জাতিক, লাইফস্টাইল
A A
গাছের পাতায় হলুদ ধাতুর ঝলকানি, গবেষণায় যা জানা গেল

গাছের পাতায় হলুদ ধাতুর ঝলকানি, গবেষণায় যা জানা গেল

Advertisements

‘টাকা কি গাছে ধরে?’ সেই প্রবাদ সত্যি বলে প্রমাণিত করে দিলেন বিজ্ঞানীরা। রূপকথার গল্প বলে মনে হলেও বিজ্ঞানীরা সোনা ‘ফলানোর’ আশ্চর্য ক্ষমতাসম্পন্ন গাছের সন্ধান পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে, কিছু গাছের পাতায় সত্যিই সোনা ‘ফলে’ এবং তা পরীক্ষিত সত্য। ফিনল্যান্ডের এক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।

ল্যাপল্যান্ডে জন্মানো স্প্রুস গাছ নিয়ে সম্প্রতি পরীক্ষা করা শুরু করেছিল ওলু বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফিনল্যান্ডের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা। ২৩টি গাছের ১৩৮টি নমুনা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছিল।

তবে গল্পের মতো গাছে গাছে সোনার ফল বা মুদ্রার আকারে সোনার হদিস পাওয়াটা অতিরিক্ত কষ্টকল্পনা। ডালের চারপাশে ঝুলন্ত বাটের আকারে নয়, বরং আণুবীক্ষণিক দাগের আকারে চকচকে হলুদ ধাতু খুঁজে পেয়েছে ফিনল্যান্ডের একটি গবেষকদল। সম্প্রতি নরওয়ের স্প্রুস গাছে লুকিয়ে থাকা সোনার কণা খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা।

ওলু বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফিনল্যান্ডের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা সে দেশের ল্যাপল্যান্ডে জন্মানো স্প্রুস গাছ নিয়ে পরীক্ষা করা শুরু করেছিল। ২৩টি গাছের ১৩৮টি নমুনা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এর মধ্যে, বেশ কয়েকটি গাছে সোনার আণুবীক্ষণিক কণা শনাক্ত করতে সমর্থ হয়েছেন গবেষকেরা। এই আবিষ্কারটি কয়েক দশকের পুরনো রহস্যে এক নতুন মোড় এনেছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানী এবং অনুসন্ধানকারী দলের সদস্যেরা।

গাছের পাতায় সোনা সঞ্চয়ের পিছনে নতুন এক ‘অ্যালকেমিস্ট’দের জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন গবেষকেরা। ধাতু থেকে সোনা তৈরি করা সম্ভব কি না তা নিয়ে মধ্যযুগ থেকেই অ্যালকেমিস্টদের গবেষণার অন্ত ছিল না। নিজেদের দাবি প্রমাণে অ্যালকেমিস্টরা এক অজানা উপাদান তৈরির জন্য বিস্তর অনুসন্ধান চালিয়ে গিয়েছেন।

পরবর্তী কালে অণু-পরমাণুর মধ্যে হেরফের ঘটিয়ে সোনা তৈরির চেষ্টায় পিছিয়ে ছিলেন না বিজ্ঞানীরাও। তাঁরাও কৃত্রিম ভাবে সোনা তৈরির চেষ্টা করে গিয়েছেন।

গবেষণাটি আলোকপাত করেছে নতুন এক তত্ত্বের উপরেও। মনে করা হচ্ছে, এখানে আসল অ্যালকেমিস্টরা হয়তো জীবাণু। মাটির গভীরে থাকা সোনাকে উদ্ভিদের পাতায় পাঠিয়ে দিচ্ছে বিশেষ কোনও জীবাণুই। গাছের পাতায় সুচের মতো অংশে সোনা জমানোর অনুঘটক হল এন্ডোফাইট নামের এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া।

‘বায়ো মিনারালাইজ়েশন’ বা ‘জৈব খনিজকরণ’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণুটি মাটিতে মিশে থাকা সোনার আয়নগুলিকে ধাতব আণুবীক্ষণিক কণায় রূপান্তরিত করে। সহজ ভাষায়, গাছটি সোনাযুক্ত জল শোষণ করে এবং জীবাণুগুলি রাসায়নিক ভাবে সেই সোনাকে কঠিন কণায় পরিণত করে গাছের পাতায় জমা করে। অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নীচে ফেললে পাতার নিড্‌ল টিস্যুর মধ্যে এই কণা দৃশ্যমান।

এক দশকেরও বেশি আগে অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষকদল ইউক্যালিপটাস পাতার ভিতর সোনার ক্ষীণ চিহ্ন খুঁজে পেয়েছিল। সেই সময় ‘সোনার গাছ’ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে হইচই পড়ে গিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজ়েশনের ভূ-রসায়নবিদ মেল লিন্টার্ন জানিয়েছিলেন, একটি বিশাল এক্স রে যন্ত্র ব্যবহার করে তাঁরা কিছু গাছের পাতা, ডালপালা এবং বাকলের মধ্যে সোনার চিহ্ন খুঁজে পেয়েছিলেন।

খরার সময় জলের উৎস সন্ধানে ইউক্যালিপটাস গাছের শিকড় মাটির বহু গভীর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ইউক্যালিপটাস গাছের দৈর্ঘ্য ১০ মিটার হলে তার শিকড় গাছটির দৈর্ঘ্যের চার গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার গাছগুলির ক্ষেত্রেও সেই ঘটনাই ঘটেছে৷ জলের সন্ধানে গাছটির শিকড় মাটির যে গভীরতায় গিয়েছে, সেখানে সম্ভবত সোনা ছিল। বায়োমাইনিং পদ্ধতির সাহায্যে কিছু উদ্ভিদ তাদের শিকড়ের মাধ্যমে মাটি থেকে ধাতু শোষণ করে এবং তাদের পাতা এবং শাখায় স্থানান্তরিত করে।

অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা হিসাব কষে দেখেন, একটি সোনার আংটি তৈরি করতে যে পরিমাণ সোনা দরকার হতে পারে, তার জন্য অন্তত ৫০০টি গাছের প্রয়োজন পড়বে। তাঁদের বিশ্বাস, গাছগুলি একটি হাইড্রলিক পাম্পের মতো কাজ করছে। শিকড় থেকে খাবার তৈরির জন্য জল আনতে গিয়ে দ্রবীভূত সোনা ভাস্কুলার সিস্টেমের মাধ্যমে পাতায় ছোট সোনার কণাগুলিকে জমা করে চলেছে।

নতুন ফিনিশীয় গবেষণা সেই বিষয়টিকে পরিষ্কার করে দিয়েছে। উচ্চ রেজ়োলিউশন ইমেজিং ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে, সোনা উদ্ভিদের টিস্যুর গভীরে অবস্থান করে। এটি প্রমাণ করে যে, হলুদ ধাতুর কণা শোষিত এবং রূপান্তরিত হচ্ছে। এবং জীবাণুগুলি নীরবে দ্রবীভূত সোনা প্রক্রিয়াজাত করছে এবং ক্ষুদ্র ধাতব দানায় পরিণত করে তুলছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গাছে গাছে সোনা ফলার দৃশ্য কল্পনা করার আগে বাস্তবতা যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। গাছের পাতায় যে ‘ভান্ডার’ সঞ্চিত রয়েছে তা যৎসামান্য, এক গ্রাম সোনার কোটি ভাগের এক ভাগ। অর্থনৈতিক ভাবে এর তেমন গুরুত্ব নেই।

ফিনল্যান্ডের উলু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী কাইসা লেহোস্মা জানিয়েছেন, গবেষণালব্ধ ফলাফলে দেখা গিয়েছে গাছের অভ্যন্তরে বসবাসকারী ব্যাক্টেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব গাছের মধ্যে সোনা জমা হওয়ার বিষয়টিকে প্রভাবিত করতে পারে। নতুন এই আবিষ্কার পরিবেশবান্ধব উপায়ে সোনা অনুসন্ধানের পথ খুলে দিচ্ছে।

বৈজ্ঞানিক ভাবে এটি বেশ বড় ব্যাপার। আবিষ্কারটি খনিজ অনুসন্ধানের কৌশলকে উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। ভূতাত্ত্বিকদের নতুন দিশা দেখাবে নতুন এই আবিষ্কার। সোনার খনির সঞ্চয়ের অবস্থান শনাক্ত করার জন্য অনেক দীর্ঘ এবং প্রচলিত প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় ভূতাত্ত্বিকদের। সেই জটিল পদ্ধতির বদলে সম্ভাব্য অঞ্চলের গাছপালা পরীক্ষা করে সঞ্চিত কাঞ্চন ভান্ডারের হদিস মিলতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

সোনার খনির সন্ধানে অন্তহীন পরিবেশগত সমস্যা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা যদি খননকাজ যথাসম্ভব এড়িয়ে যেতে চান, তা হলে এই পদ্ধতিটি ভবিষ্যতে যুগান্তকারী বলে বিবেচিত হবে। পাতার একটি অংশ হয়তো ফিসফিস করে বলে দেবে এখানে সোনা বা তামা মাটির নীচে শুয়ে আছে।

এ ছাড়াও কৃত্রিম ভাবে সোনা ফলানোর একাধিক উপায় আছে বলে দাবি করা হয়েছে নানা বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা এমন এক ব্যাক্টেরিয়া আবিষ্কার করেছেন যার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ এক ক্ষমতা। বিষাক্ত রাসায়নিক যৌগগুলিকে ২৪ ক্যারেট সোনায় রূপান্তরিত করতে সক্ষম সেই বিশেষ অণুজীবটি।

সোনা তৈরি করেছেন ইউরোপের নিউক্লিয়ার রিসার্চ অর্গানাইজ়েশন বা ‘সার্ন’-এর বিজ্ঞানীরাও। সিসা থেকে সোনা তৈরি হয়েছে সুইৎজ়ারল্যান্ডের রাজধানী জেনিভার অদূরে ‘সার্ন’-এর ভূগর্ভস্থ ‘লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার’-এ। সেখানে গবেষকেরা সিসাকে সোনায় পরিণত করে অ্যালকেমিস্টদের একসময়ের অসম্ভব স্বপ্নকে পূর্ণ করেছেন। সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য হলেও সিসা থেকে সোনা তৈরির এই বিরল মুহূর্তটি স্থায়ী হয়েছিল।

ট্যাগ: ওলু বিশ্ববিদ্যালয়গবেষণাগাছের পাতাফিনল্যান্ডের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থাহলুদ ধাতুর ঝলকানি
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

বিদেশে অবস্থানরতদের ই-রিটার্ন দাখিল সহজ করলো এনবিআর

পরবর্তী

ইসরায়েল সংসদে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর দখলের ‘বিতর্কিত’ বিল পাস

পরবর্তী

ইসরায়েল সংসদে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর দখলের 'বিতর্কিত' বিল পাস

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চমকপ্রদ তথ্য

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চমকপ্রদ তথ্য

সর্বশেষ

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি নিহত

জানুয়ারি 28, 2026

গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার

জানুয়ারি 28, 2026

গণসংযোগকালে নেত্রীকে কুপিয়ে জখম: জামায়াত

জানুয়ারি 28, 2026

চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, অনুষ্ঠানস্থল রণক্ষেত্র

জানুয়ারি 28, 2026

মেয়েদের এশিয়ান কাপের প্রাথমিক দলে যারা

জানুয়ারি 28, 2026
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT

Exit mobile version