আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দারুণ করেছে স্পেন। ইউরোর প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে চাপে রেখেছিল ম্যাচজুড়ে। দুর্দান্ত করেছেন ‘ওয়ান্ডার কিড’ খ্যাত লামিন ইয়ামাল। ইউরোতে সবকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড এখন তার ঝুলিতে। ছন্দে থাকা ডি লা ফুয়েন্তের দল পাত্তাই দিল না কাইলিয়ান এমবাপেদের। ২-১ গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটেছে মোরাতা-রদ্রিরা।
মাঠের লড়াইয়ে আগে লিড পেয়েছিল ফ্রান্স। ম্যাচের ৮ মিনিটেই স্পেন জালে বল পাঠান রান্ডাল কোলো মুয়ানি। কাইলিয়ান এমবাপের ক্রস থেকে হেডে উনাই সিমনকে পরাস্ত করেন এই ফরোয়ার্ড।
১-০ তে পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে স্পেন। একের পর এক আক্রমণে ফরাসিদের চেপে ধরে তারা। ২১ মিনিটে আসে সফলতা। আলভারো মোরাতার পাসে ডি বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের কিকে দুর্দান্ত গোল আদায় করে নেন ইয়ামাল। সেই সঙ্গে ইউরোতে একটি রেকর্ডের মালিকও বনে যান বার্সেলোনা তারকা।

ইউরো ইয়ামালের প্রথম গোল এটি। ১৬ বছর ৩৬২ দিন বয়সে গোলটি করে টুর্নামেন্টের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা এখনও এই ‘ওয়ান্ডার কিড’। ইয়ামালের আগে রেকর্ডটি ছিল সুইজারল্যান্ডের জোহান ফনল্যানথেনের। ২০০৪ আসরে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১৮ বছর ১৪১ দিন বয়সে গোল করেছিলেন সুইশ ফুটবলার।
লিড নিতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্পেনকে। ২৫ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বল থেকে গোল আদায় করে নেন দানি ওলমো। ২-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও ফ্রান্স রক্ষণভাগের বেশ পরীক্ষা নেয় স্পেন। বেশ কয়েক আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল ফ্রান্স। তবে গোল আদায়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে তাদের। লিড ধরে রেখেই বিরতিতে যায় স্পেন।

বিরতির পর খেলার ধরণ কিছুটা বদলায় স্পেন। চিরচেনা ছোট পাসের খেলায় মেতে ওঠে দলটি। বল দখলের লড়াইয়ে ফ্রান্সকে বেশ ভোগান্তিতেই ফেলেছিল তারা। অবশ্য ছেড়ে কথার দল ফ্রান্স নয়।
দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের ছোট পাসের বিপরীতে বেশ আক্রমণাত্বক খেলেছিল ফ্রান্স। স্পেন রক্ষণভাগের বেশ পরীক্ষা নেন এমবাপে-গ্রিজম্যানরা। তবে স্পেন ভালোভাবেই উতরে গেছে তা। শেষ পর্যন্ত বিজয়ের হাসিতে মেতে ওঠে লা ফুয়েন্তের দল।

আগামী ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় চতুর্থ শিরোপার লক্ষ্যে নামবে দলটি। বুধবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার ম্যাচে জয়ী দল শিরোপামঞ্চে মুখোমুখি হবে স্পেনের।









