ভারতের মাটিতে ৫ অক্টোবর ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বিশ্ব আসরের আগে সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ৫০ ওভারের সংস্করণে। প্রিয় ফরম্যাটের বড় দুটি আসরে সেরা সামর্থ্য দেখানোর পালা বাংলাদেশের।
বিশ্বকাপের পথে বাংলাদেশের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে বুধবার থেকে। চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তামিম ইকবালের দল। কালতালীয়ভাবে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি আফগানদের বিপক্ষেই খেলবে বাংলাদেশ। ৭ অক্টোবর ধর্মশালায় হবে ম্যাচটি।
ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আফগানদের শক্তি-সামর্থ্য যাচাইয়ের বড় সুযোগ টিম টাইগার্সের সামনে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে কয়েকবছর ধরে শক্তিশালী দলের নাম বাংলাদেশ। দলে পারফর্মারও অনেক। আছে বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নতুন করে জেগেছে পেস ইউনিট। এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপের আগে তাই স্কোয়াডের সবাইকে পরখেরও সুযোগ দেখছেন টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
চট্টগ্রামে সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে টাইগার ওপেনার বললেন, ‘পেসারদের মধ্যে সবাই ভালো করছে। এখানে হয়তো চেঞ্জ হতে পারে। তিন ম্যাচে হয়তো ভিন্ন পেস বোলিং কম্বিনেশন দেখতে পারবেন।’
এখন দেখার তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন ও শরীফুল ইসলামদের প্রত্যেকেই আফগানিস্তান সিরিজে খেলার সুযোগ পান কিনা। ঘাসের উইকেটে পেসারদের দিকেই ফোকাস থাকবে সেটি না বললেও চলছে।
বিশ্বকাপ ভাবনায় আফগানিস্তান সিরিজে দলে ফেরানো নাঈম শেখ ও আফিফ হোসেনকেও সুযোগ দিতে চায় বাংলাদেশ। তাদের ব্যাপারে তামিম বললেন, ‘এই একটা সিরিজে আমরা চেষ্টা করব সবাইকে সুযোগ দিতে। তবে এটা নিশ্চিত নয়। আমরা চেষ্টা করব নাঈমকে সুযোগ দিতে। বড় একটা ইভেন্টের আগে ২-৩টা ম্যাচ খেলতে পারলে ওদের জন্য ভালো।’
চট্টগ্রামে সাধারণত ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে খেলা হলেও বাংলাদেশ দলকে এবার নামতে হবে সবুজ উইকেটের পরীক্ষায়। যেখানে শুরুর ১০ ওভার চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
তিন ম্যাচ সিরিজের দিবারাত্রির প্রথম ওয়ানডে বুধবার বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। আফগানিস্তানের বৈচিত্র্যপূর্ণ স্পিন আক্রমণকে দমিয়ে রাখতেই যেন ঘাসের উইকেট দেয়া হচ্ছে স্বাগতিকদের। খেলা শুরু দুপুর ২টায়।
মিরপুরে একমাত্র টেস্টেও দেখা গেছে এমন চিত্র। তাতে বেশ সফলও হয়েছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের নেতৃত্বে রেকর্ড রানের ব্যবধানে আফগানদের উড়িয়ে দিয়েছিল টিম টাইগার্স।
আফগানিস্তানের স্পিন প্রতিরোধের ভাবনা অমূলক নয়। কেননা রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমানরা রঙিন পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছেন।
চোট থেকে ফেরা তামিম শতভাগ ফিট না হলেও প্রথম ওয়ানডে খেলবেন। ম্যাচ খেলেই বোঝার চেষ্টা করবেন কতটা সেরে উঠেছেন। সিরিজ শুরুর আগে উইকেট দেখে বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন উইকেট পরিস্থিতির কথা।
‘এখানকার উইকেট কিছুটা ভিন্ন। হালকা ঘাস রয়েছে। সাধারণত ব্যাটিংয়ের জন্য চট্টগ্রামের উইকেট বেশ ভালো হয়। প্রথম দশ ওভার দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং থাকবে। ১০-১৫ ওভার সংগ্রাম করার পর মাঝের ওভারগুলো থেকে রান উঠবে।’







