আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় চক্রে ভারতকে হারিয়ে কদিন আগেই শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। অজিরা টেস্টের ‘বিশ্বকাপ’ জয়ের উদযাপনে থাকলেও দ্রুতই শুরু হচ্ছে তৃতীয় চক্রের খেলা। আগামী ১৬ জুন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্র।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্র চলবে ২০২৩-২৫ সালের মধ্যে। তিন বছরের চক্রে থাকবে বাংলাদেশসহ নয়টি দল। টিম টাইগার্স এই সময়ের মধ্যে খেলবে ৬টি সিরিজ ও ১২টি টেস্ট, সমান তিনটি করে সিরিজ থাকবে ঘরে ও দেশের বাইরে।
পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ সিরিজ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। যেখানে সবমিলিয়ে থাকবে ২৭টি সিরিজে ৬৮টি টেস্ট ম্যাচ। ২০২৫ সালে ইংল্যান্ডের লর্ডসে হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি।
তিন বছরের চক্রে খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ভারত, সাবেক চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, সাউথ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি সিরিজে থাকবে দুই থেকে পাঁচটি করে টেস্ট। নয় প্রতিযোগী দলের সবাই ছয়টি করে সিরিজ খেলবে। তিনটি খেলবে ঘরের মাঠে এবং তিনটি প্রতিপক্ষের মাঠে।
নয় দলের সবাই সমানসংখ্যক ম্যাচ খেলবে না। তাই অর্জিত সম্ভাব্য পয়েন্টের শতাংশের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে পয়েন্ট টেবিল। যেখানে শীর্ষ দুদল লর্ডসে ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের চক্রে সবচেয়ে বেশি ২১টি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সমান ১৯টি করে টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। বাংলাদেশ খেলবে সবমিলিয়ে ১২টি টেস্ট।
নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাটিতে; ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের মাটিতে খেলতে যাবে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের মোট ছয়টি সিরিজ খেলবে টিম টাইগার্স। মানে ৬টি টেস্ট ঘরের মাটিতে, ৬টি প্রতিপক্ষের মাটিতে খেলবে লাল-সবুজের দল।
ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি টেস্টে জয়ের জন্য ১২ পয়েন্ট করে পাবে দলগুলো। ড্রয়ের জন্য প্রতি দলকে ৪ এবং টাইয়ের জন্য ৬ করে দেয়া হবে। হার থেকে কোনো পয়েন্ট না পেলেও স্লো ওভার রেটের জন্য পয়েন্ট হারাতে হবে দলগুলোকে।







