যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত সনাতন ধর্মালম্বীদের শেষকৃত্যের দীর্ঘদিনের প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে গৃহীত ‘মা কালী মহাশ্মশান’ প্রকল্পের কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে।
প্রকল্পের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শ্মশানের অভাব প্রকটভাবে অনুভূত হওয়ায় এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। প্রায় ৫ একর (২১৭,৮০০ বর্গফুট) জমির ওপর নির্মিতব্য এই প্রকল্পে ‘শ্মশান কালী মন্দির’, চিতা ও শেষকৃত্যের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম এত বৃহৎ পরিসরে একটি ‘মহাশ্মশান’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সর্বজন শ্রদ্ধেয় ডা. কালী প্রদীপ চৌধুরী ‘মা কালী মহাশ্মশান’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ঘোষণা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২৭ সালের বিজয়া দশমীতে এই মহাশ্মশান প্রকল্পে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসব উদ্যাপন করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে, শ্রদ্ধেয় পুরোহিত কমলেন্দু গাঙ্গুলী ধর্মীয় সকল নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে মহাশ্মশানের ভূমি পূজার কাজ সম্পন্ন করেন। পরে উপস্থিত সবার অংশগ্রহণে ডা. কালী প্রদীপ চৌধুরী ফিতা কেটে ‘শ্মশান কালী মন্দির’ (চিতা ও বিভিন্ন অবকাঠামোসহ) প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন। তিনি প্রকল্প নির্মাণ ও বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রকল্পের সেবকবৃন্দ জানিয়েছেন, বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রবাসী সনাতন ধর্মালম্বীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থেকে এই মহৎ উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ‘মা কালী মহাশ্মশান’ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং প্রবাসে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূরণ হবে।









