মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সহজেই হারিয়েছিল ভারত। তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে এসে হোঁচট খেলো হারমানপ্রীত কৌরের দল। ইংলিশ মেয়েদের বিপক্ষে মেনে নিতে হলো ১১ রানের পরাজয়।
সাউথ আফ্রিকার সেন্ট জর্জেস পার্কে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানের সংগ্রহ পায় হেথার নাইটের দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানে থামে ভারতের ইনিংস।
ভারতকে হারিয়ে তিন ম্যাচে তিন জয়ে গ্রুপের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করলো ইংলিশ মেয়েরা। অন্যদিকে তিন ম্যাচে দুই জয়ে গ্রুপের দ্বিতীয়তেই রইলো ভারত। দুই ম্যাচে একজয়ে তৃতীয়তে আছে পাকিস্তান। আগামীকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ মেয়েদের হারাতে পারলে রানরেটে এগিয়ে ভারতকে টপকে যাবে বিসমাহ মারুফের দল।
শনিবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। দলীয় ২৯ রানে হারাতে হয় তিন উইকেট। এরপর নাট স্কিভার ব্রান্ট অধিনায়ক হেথার নাইটকে নিয়ে দলকে টানতে থাকেন। দলীয় ৮০ রানে আউট হন নাইট।
অ্যামি জোন্সকে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ব্রান্ট। ৪২ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর দলীয় ১৪৭ রানে পরপর দুই বলে ফেরেন অ্যামি জোন্স ও ক্যাথেরিন সাইভার ব্রান্ট। অ্যামি ২৭ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ইংলিশদের ইংনিস থামে ১৫১ রানে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকার করেন রেনুকা সিং।
১৫২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানে শেফালি ভার্মাকে হারায় ভারত। দলীয় ৫৭ থেকে ৬২ রানে আউট হন আরও দুই ব্যাটার জেমিমাহ রদ্রিগুয়েস ও হারমানপ্রীত কৌর। চতুর্থ উইকেট জুটিতে রিচা ঘোষকে নিয়ে ৪৩ রানের জুটি ঘড়ে আউট হন ওপেনার স্মৃতি মান্দানা। ৪১ বলে ৫২ রান করেন তিনি।
ষোলো ওভারের শেষ বলে ১১৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে একাই টেনে নেয়ার চেষ্টা করেন জেমিমাহ। তবে ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বল ঠেকিয়ে পৌঁছাতে পারেননি জয়ের নোঙরে। নির্ধারিত ওভার শেষে দলীয় ১৪০ রানেই থামতে হয় ভারতীয় ব্যাটারকে।
৩৪ বলে ৪৭ রান করেন জেমিমাহ। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন সারাহ গ্লেন।








